
Kidney disease often develops silently after age 40, and men tend to ignore early signs such as changes in urination, swelling, and fatigue, according to Dr. Bhanu Mishra, consultant nephrologist at Fortis…
চল্লিশের পরে কিডনির সমস্যা নিঃশব্দে শরীরে বাসা বাঁধে এবং পুরুষরা প্রস্রাবের পরিবর্তন, ফোলাভাব বা ক্লান্তির মতো প্রাথমিক লক্ষণগুলো প্রায়শই এড়িয়ে যান বলে জানিয়েছেন শালিমার বাগের ফর্টিস হাসপাতালের কনসালট্যান্ট নেফ্রোলজিস্ট ড. ভানু মিশ্র। প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন, ফেনাযুক্ত বা গাঢ় রঙের প্রস্রাব কিংবা রাতে বারবার প্রস্রাবের বেগ পাওয়াকে বার্ধক্যজনিত সমস্যা ভেবে উপেক্ষা করা উচিত নয়। পা, হাত বা চোখের চারপাশ ফুলে যাওয়া শরীরে জল জমার ইঙ্গিত দেয়। সারাক্ষণ ক্লান্তি, বমি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য, পেশিতে টান, চুলকানি এবং রক্তচাপ বেড়ে যাওয়াও বিপদের সংকেত। উচ্চ রক্তচাপ কিডনি বিকলের কারণ এবং ফলাফল দুটিই হতে পারে। নিয়মিত রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়েই সমস্যা ধরা সম্ভব। হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, কিডনিতে পাথর বা পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকলে ঝুঁকি বেশি থাকে। চিকিৎসকরা নিজে থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার উপদেশ দিয়েছেন।


এই নিবন্ধটি চল্লিশোর্ধ্ব পুরুষদের কিডনির সূক্ষ্ম উপসর্গগুলোর প্রতি নজর দেওয়ার কথা সঠিকভাবেই মনে করিয়ে দিয়েছে। তবে এটি দুটি প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্রয় দিতে পারে যে, পুরুষরা স্বাস্থ্য সচেতনতার বিষয়ে উদাসীন এবং কিছু রক্ত পরীক্ষা করলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। অনেকেই কোলেস্টেরল বা রক্তচাপ পরীক্ষা করলেও প্রস্রাবে প্রোটিনের মাত্রা পরীক্ষা করতে ভুলে যান। আসল প্রশ্ন হলো, সহজ ও সুলভ এই রুটিন পরীক্ষাগুলো কি লিপিড প্রোফাইলের মতোই স্বাভাবিক হয়ে উঠবে। জনস্বাস্থ্য সচেতনতা বা বিমা প্রকল্পগুলো এই পরীক্ষাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে কি না তা দেখার বিষয়। কারণ কেবল সচেতনতা দিয়ে মানুষের অভ্যাসের পরিবর্তন আনা কঠিন।
সূত্র: timesnownews.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।