
North Korea fired at least one short-range ballistic missile towards the Sea of Japan on Thursday, South Korea’s military said. The launch followed Kim Yo Jong’s warning that Pyongyang would adopt “additional…
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়া জাপান সাগরের দিকে অন্তত একটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। জাপানের টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রতিক্রিয়ায় কিম ইয়ো জং পিয়ংইয়ং অতিরিক্ত সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দেওয়ার পরপরই এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হলো। সিউল জানিয়েছে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে ওনসান এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়েছে। জাপান জানিয়েছে যে তাদের ভূখণ্ডে কোনো প্রভাব পড়েনি।

দ্য হিন্দু জানিয়েছে যে কিম টোকিও এবং ওয়াশিংটনকে আক্রমণাত্মক সামরিক সক্ষমতা অর্জনে সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত করেছেন। জাপান বলছে তাদের বাহিনী কেবল আত্মরক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। মিন্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী জাপানের একটি প্রতিরক্ষা নথিতে চীন ও রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সামরিক তৎপরতা এবং উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র কর্মসূচিতে রাশিয়ার সমর্থনকে নিরাপত্তার ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সহজ ব্যাখ্যা হলো জাপানের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাই উত্তর কোরিয়ার এই উৎক্ষেপণের কারণ অথবা প্রতিটি আঞ্চলিক মহড়াই একটি সুসংগঠিত তিন দেশের সামরিক ব্লকের প্রমাণ। তবে এমন কোনো দাবি এখানে প্রতিষ্ঠিত নয়। পিয়ংইয়ং তাদের অস্ত্র উন্নয়নকে বৈধতা দিতে জাপানের সামরিক পরিবর্তনকে ব্যবহার করছে আর টোকিও চীন রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার তৎপরতাকে দায়ী করছে। প্রকৃত বিষয় হলো এই ঘটনার পর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ও সামরিক টহল বাড়ে কি না সেটি দেখা জরুরি বরং কোন পক্ষ বেশি কড়া হুমকি দিচ্ছে তা বড় কথা নয়।
সূত্র (৩): thehindu.com, thehindu.com (২), livemint.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত ৩টি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটি এখন ৩টি সূত্রের ওপর ভিত্তি করে লেখা।