
A study published in the Journal of Animal Ecology has explained why ospreys returned to breed in southern England in 2022 for the first time since 1847, according to a Times of…
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী জার্নাল অফ অ্যানিমেল ইকোলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে কেন ২০২২ সালে ১৮৪৭ সালের পর প্রথমবারের মতো অস্প্রে পাখি দক্ষিণ ইংল্যান্ডে প্রজননের জন্য ফিরে এসেছে। বোর্নমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখেছেন যে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি নির্ভর করে অল্প কিছু অগ্রগামী জোড়ার ওপর যারা মূল বসতির বাইরে বাসা বাঁধে যা এই প্রজাতিকে নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করে।
২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে সংরক্ষণবাদীরা স্কটল্যান্ড থেকে কিশোর অস্প্রে পাখিদের ডরসেটে স্থানান্তর করেন। পুল হারবারে প্রথম প্রজননকারী জোড়াটি ২০২২ সালে দুটি ছানা জন্ম দেয়। স্থানান্তর প্রক্রিয়াটি না হলে ডরসেটকে প্রাকৃতিক পুনরুদ্ধারের জন্য সম্ভবত আরও ৬০ বছর অপেক্ষা করতে হতো। এই গবেষণাটি যুক্তরাজ্য ও ইউরোপ জুড়ে শিকারি পাখিদের ফিরে আসার প্রক্রিয়া দ্রুত করতে কৃত্রিম বাসা তৈরি বা স্থানান্তরের মতো পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।
অস্প্রে পাখির এই ঘটনাটি যেমন আশাব্যঞ্জক তেমনি সতর্কবার্তা বয়ে আনে। সংরক্ষণবাদীরা প্রায়ই ধীরগতির জন্য সমালোচনার মুখে পড়েন তবে এই গবেষণা দেখাচ্ছে যে ধৈর্য এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে স্থানান্তর প্রক্রিয়া প্রাকৃতিক পুনরুদ্ধারের সময় কয়েক দশক কমিয়ে আনতে পারে। আসল পরীক্ষা হলো মানুষের সহায়তা ছাড়া এই নতুন বসতিগুলো নিজেদের টিকিয়ে রাখতে পারে কি না এবং অন্যান্য প্রজাতির ক্ষেত্রেও এই পদ্ধতি সফল হয় কি না।
উৎস: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।