
Pakistan is facing criticism over restrictions on journalists covering protests and elections in Pakistan-occupied Kashmir. The Times of India, citing The New York Times and rights groups, reported that foreign media journalists…
পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ ও নির্বাচনের খবর সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের ওপর বিধিনিষেধ জারি করায় পাকিস্তান তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ও বিভিন্ন অধিকার গোষ্ঠীর সূত্র দিয়ে জানিয়েছে যে বিদেশী সাংবাদিকদের ইসলামাবাদ, করাচি ও লাহোরের বাইরে যেতে হলে সরকারি অনুমতির প্রয়োজন হয় এবং তাদের ঐ অঞ্চল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে বিদেশী সংবাদমাধ্যম তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবে এবং ভ্রমণের জন্য একটি নতুন অনুমতি ব্যবস্থা তৈরির কাজ চলছে।
কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) জানিয়েছে যে ১ আগস্ট রাজি তাহির ও মুহাম্মদ সাইফ নামের দুই সাংবাদিককে ইসলামাবাদ অফিস থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ন্যাশনাল হেরাল্ড ইন্ডিয়া জানিয়েছে যে কর্তৃপক্ষ জনসমক্ষে তাদের আটকের কথা স্বীকার করেনি। সিপিজে সাংবাদিক সৈয়দ ফরহাদ আলি শাহর আটকের বিষয়েও তথ্য চেয়েছে। গ্রেফতার, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা ও চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ নিয়ে নানা বিতর্ক রয়েছে। দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী জুন ও জুলাই মাসে সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।
এই অভিযোগগুলো সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে যৌক্তিক উদ্বেগের সৃষ্টি করে। তবে পাওয়া তথ্যের বেশিরভাগই অধিকার গোষ্ঠী ও সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট থেকে প্রাপ্ত। অন্যদিকে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ অনেক দাবি অস্বীকার করেছে বা নিশ্চিত করেনি। সব বিধিনিষেধকেই তথ্য ব্ল্যাকআউটের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরাটা হয়তো অকাল সিদ্ধান্ত হবে। বিশেষ করে উত্তপ্ত নির্বাচনী পরিস্থিতিতে স্বাধীন যাচাইকরণ ও স্বচ্ছ সরকারি তথ্যের প্রয়োজন রয়েছে।
সূত্র (২): timesofindia.indiatimes.com, nationalheraldindia.com
এই প্রতিবেদনটি এআই-এর মাধ্যমে ওপরের দুটি সূত্র ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটিতে এখন ২টি সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে।