
President Droupadi Murmu on Friday approved 78 gallantry awards, including 13 posthumous, to personnel of the defence forces and central armed police forces on the eve of the 80th Independence Day. The…
আশিতম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতিরক্ষা ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের জন্য ৭৮টি বীরত্ব পুরস্কার অনুমোদন করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এর মধ্যে ১৩ জনকে মরণোত্তর সম্মান প্রদান করা হচ্ছে। এই তালিকার মধ্যে রয়েছে নয়টি কীর্তি চক্র, ১৯টি শৌর্য চক্র, একটি বার টু শৌর্য চক্র, পাঁচটি বার টু সেনা মেডেল (বীরত্ব), ৩৬টি সেনা মেডেল (বীরত্ব), তিনটি নৌসেনা মেডেল এবং পাঁচটি বায়ুসেনা মেডেল (বীরত্ব)।

ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্ব পুরস্কার কীর্তি চক্র পাচ্ছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনোজ ফ্রান্সিস এবং মেজর জিতেন্দ্র রাঠি। এ ছাড়াও আরও সাতজনকে মরণোত্তর এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী মাওবাদী বিরোধী অভিযানে যুক্ত আধাসামরিক ও পুলিশ কর্মীদের একটি বড় অংশ পুলিশি বীরত্ব পদক পেয়েছেন। বামপন্থী চরমপন্থা কবলিত এলাকায় কর্মরত কর্মকর্তাদের ৩০১টি পদকের মধ্যে ১৯৭টি পদক দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি ৮৯টি মেনশন-ইন-ডেসপ্যাচ অনুমোদন করেছেন।
স্বাধীনতা দিবসের আগে বীরত্ব পুরস্কার ঘোষণার বিষয়টি একটি পরিচিত ধারায় পরিণত হয়েছে। এটি যেমন প্রশংসনীয় তেমনি বারবার এমন ঘোষণার ফলে ব্যক্তিগত আত্মত্যাগের বিষয়টি সাধারণ মানুষের কাছে সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়ানোর ঝুঁকি থাকে। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার মাওবাদী বিরোধী অভিযানের ওপর আলোকপাত অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জকে সামনে আনলেও অনেক সময় অভিযানের মূল কারণগুলো বিশ্লেষণ না করেই কেবল গৌরবগাঁথা প্রচার করা হয়। আসল পরীক্ষা হলো সরকার কি ৭৮টি পুরস্কারেরই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করবে যাতে সাধারণ নাগরিকরা প্রতিটি ঘটনার যোগ্যতামান স্বাধীনভাবে বিচার করতে পারে?
সূত্র (২): rediff.com, timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।