
Claire Parfitt, now 42, was rejected by Nasa for work experience as a 14-year-old. She turned to the UK's National Space Centre in Leicester, helping unpack exhibits including a space toilet. That…
চোদ্দ বছর বয়সে নাসার কাজের অভিজ্ঞতা পাওয়ার আবেদন বাতিল হয়েছিল ৪২ বছর বয়সী ক্লেয়ার পারফিটের। এরপর তিনি লেস্টারের যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল স্পেস সেন্টারে যোগ দিয়ে প্রদর্শনী সাজানোর কাজ শুরু করেন যার মধ্যে একটি মহাকাশ টয়লেটও ছিল। সেই কাজের অভিজ্ঞতা তাকে পদার্থবিজ্ঞানে ডিগ্রি এবং পিএইচডি অর্জনের পথ দেখায় যার সূত্র ধরে তিনি ব্রিটিশ মহাকাশ শিল্পে প্রবেশ করেন। ২০১৯ সালে তিনি ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থায় যোগ দেন যেখানে তিনি এখন মঙ্গল গ্রহ নিয়ে গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং বিভিন্ন মহাকাশ সংস্থার মধ্যে মঙ্গল অভিযান সমন্বয়ের একটি আন্তর্জাতিক দলের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন। ২০২৮ সালে উৎক্ষেপণের অপেক্ষায় থাকা এক্সোমার্স রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন রোভার মিশনটি তার কাজের অন্যতম অংশ।
একজন ব্রিটিশ তরুণীর নাসার প্রত্যাখ্যানকে জয় করে সফল হওয়ার গল্পটি বেশ অনুপ্রেরণামূলক হলেও এটি ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার আসল সাফল্যকে আড়াল করে। লড়াই করে এগিয়ে যাওয়া একজন ব্যক্তিকে নিয়ে মাতামাতি না করে বরং ভারতের নজর দেওয়া উচিত তাদের প্রাতিষ্ঠানিক ধৈর্যের দিকে যা একজন কিশোরীকে মহাকাশ টয়লেট সাজানোর কাজ থেকে মঙ্গল অভিযানের নীতি নির্ধারণের পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার জন্য আসল পরীক্ষা আসবে ২০২৮ সালে যখন রোজালিন্ড ফ্রাঙ্কলিন রোভারকে মঙ্গল পৃষ্ঠের দুই মিটার নিচে খনন করার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে।
সূত্র: economictimes.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া লিঙ্কের সূত্র থেকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে সংকলিত।