
The Reliance Foundation has announced a fresh scholarship fund of over Rs 100 crore for 5,100 undergraduate and postgraduate students, covering all expenses including hostel, food, stationery and laptops. The new Indian…
স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের ৫,১০০ জন পড়ুয়ার জন্য ১০০ কোটি টাকারও বেশি স্কলারশিপের নতুন তহবিল ঘোষণা করেছে রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন। এর মাধ্যমে হোস্টেল খরচ, খাবার, বইপত্র ও ল্যাপটপ সহ পড়াশোনার যাবতীয় ব্যয় বহন করা হবে। দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের রিপোর্ট অনুযায়ী পাঁচ বছর আগে চালু হওয়া এই স্কলারশিপের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ২২,০০০ এর বেশি শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছেন। এই প্রকল্পের আওতায় স্নাতক স্তরের জন্য ২ লক্ষ টাকা এবং স্নাতকোত্তর স্তরের জন্য ৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বৃত্তি দেওয়া হবে। এর জন্য কোনো আবেদন ফি লাগবে না এবং পড়ুয়ারা মেন্টরশিপ ও নেতৃত্ব বিকাশের সুযোগ পাবেন।
বর্তমান শিক্ষাবর্ষে ৫,০০০ স্নাতক ও ১০০ জন স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তির আওতায় আনার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। গত বছর দেশের ২৭টি রাজ্য ও সাতটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১,৩৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫,১০০ জন শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পেয়েছিলেন। স্নাতকোত্তর স্তরে প্রযুক্তি, প্রকৌশল, জ্বালানি ও জীবন বিজ্ঞানের মতো ভবিষ্যৎমুখী বিষয়গুলিতে প্রতি বছর ১০০ জন মেধাবী পড়ুয়াকে এই বৃত্তি প্রদান করা হয়। নীতা আম্বানির নেতৃত্বাধীন রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন হলো রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের জনহিতকর শাখা।
এটি নিঃসন্দেহে একটি উদার কর্পোরেট উদ্যোগ। তবে ভারতের শিক্ষা সংকট নিরসনে বড় বেসরকারি স্কলারশিপই একমাত্র সমাধান এমন ধারণা অলস চিন্তাপ্রসূত। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ৩০ কোটি পড়ুয়া যারা কখনও কলেজেই পৌঁছাতে পারে না তাদের কী হবে? স্কলারশিপের তহবিল যত বড়ই হোক তা শিক্ষকদের অনুপস্থিতি বা পরিকাঠামোর দৈন্যদশা দূর করতে পারে না। দেশের যখন প্লাম্বার বা নার্সের প্রয়োজন তখন কেবল ইঞ্জিনিয়ার তৈরির এই প্রবণতা কোনো কাজের কথা নয়। আসল প্রশ্ন হলো সরকার কি নিজেদের শিক্ষা বাজেটে এই কর্পোরেট ব্যয়ের সাথে পাল্লা দেবে নাকি সরকারি ব্যবস্থাকে ধুঁকতে দেবে? যদি না দেয় তবে প্রশ্ন উঠতেই পারে কেন সব দায়ভার কেবল একটি পরিবারের ওপর চাপানো হবে।
সূত্র: newindianexpress.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।