
Lieutenant General Arvind Mahajan, who retired in 2007 after nearly four decades in the Indian Army, says his generation helped shape a newly independent India. Born in 1947, he served in forward…
প্রায় চার দশকের কর্মজীবন শেষে ২০০৭ সালে অবসর নেওয়া লেফটেন্যান্ট জেনারেল অরবিন্দ মহাজন মনে করেন যে তাঁর প্রজন্ম স্বাধীন ভারতের রূপরেখা তৈরিতে সাহায্য করেছে। ১৯৪৭ সালে জন্ম নেওয়া অরবিন্দ লাদাখ, যোশীমঠ ও তৎকালীন নর্থ-ইস্ট ফ্রন্টিয়ার এজেন্সি অর্থাৎ বর্তমানের অরুণাচল প্রদেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সেই সময়ের খারাপ রাস্তাঘাট, দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা, রেশনিং ও সীমিত সুযোগ সুবিধার কথা তুলে ধরেছেন।
মহাজনের কথায়, রাস্তাঘাট, সুড়ঙ্গ, সেতু ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সীমান্ত এলাকার চেহারা বদলে দিয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি, জ্বালানি ও অর্থনীতির ক্ষেত্রেও ভারত ব্যাপক উন্নতি করেছে। তিনি জানান যে ১৯৬২ সালের চীন যুদ্ধ তাঁর প্রজন্মের তরুণদের সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে বড় অনুপ্রেরণা ছিল। কার্গিল যুদ্ধকে তিনি তাঁর জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং সেনাবাহিনীর ইএমই কোরের প্রযুক্তিগত উন্নতির সঙ্গে ভারতের জাতীয় অগ্রগতির যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন।
মহাজনের স্মৃতিচারণ কোনো একপেশে আবেগ বা অতি-বিজয়োল্লাসে ভরা নয়। ভারতের সামগ্রিক অগ্রগতি নিয়ে দাবিগুলো করতে গিয়ে অনেকে সেই শুরুর দিকের অভাব অনটন, যুদ্ধ ও সীমাবদ্ধতার কথা ভুলে যান। আবার পরিবর্তনের বড় বড় দাবিগুলো অনেক সময় সীমান্ত অবকাঠামো ও জন পরিষেবার দীর্ঘদিনের খামতিগুলোকে আড়াল করে ফেলে। তাঁর অভিজ্ঞতা আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছুড়ে দেয় যে আজকের রাস্তাঘাট, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও জ্বালানি শক্তি যতটা কৌশলগত প্রয়োজনে ব্যবহৃত হচ্ছে, ততটা প্রত্যন্ত মানুষের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে পৌঁছাচ্ছে কি না।
সূত্র: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।