
The Supreme Court on Friday posted for August 21 a plea seeking safeguards and regulations for CBSE’s On-Screen Marking system. The bench of Chief Justice Surya Kant and Justices Joymalya Bagchi and…
সিবিএসইর অন স্ক্রিন মার্কিং বা ওএসএম পদ্ধতির সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণের দাবিতে করা একটি আবেদনের শুনানি শুক্রবার ২১ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও ভি মোহনার বেঞ্চকে জানানো হয় যে দ্বাদশ শ্রেণি পাস করেও অনেক শিক্ষার্থী প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও সিবিএসই নম্বরের কারণে ভর্তি হতে পারেনি। ইতিমধ্যে কিছু কোর্সের পড়াশোনা শুরু হয়ে গেছে। আদালত সিবিএসইকে নির্দেশ দিয়েছে যে শিক্ষার্থীদের স্বার্থ কীভাবে রক্ষা করা যায় তা খতিয়ে দেখতে।

আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে স্ক্যান করা উত্তরপত্রে অনেক পৃষ্ঠা বাদ পড়েছে, কিছু অংশ পড়া যাচ্ছে না এবং অনেক উত্তর মূল্যায়ন করা হয়নি। এছাড়া ২০২৬ সালে ওএসএম পদ্ধতি চালুর সময় শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের অভাব ছিল। এতে পুনর্মূল্যায়ন, নিয়ন্ত্রক তদারকি এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যূনতম নম্বর শিথিল করার দাবি জানানো হয়েছে। তেলেঙ্গানা টুডে জানিয়েছে যে এস রাধা চৌহানের নেতৃত্বাধীন একটি কমিশন এই ব্যবস্থাটি পর্যালোচনা করছে। আবেদন অনুযায়ী ২০২৬ সালে সিবিএসইর পাসের হার ছিল ৮৫.২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের তুলনায় ৩.১৯ শতাংশ কম।

সহজ ব্যাখ্যা হলো কম নম্বর মানেই ডিজিটাল মূল্যায়ন পদ্ধতি ব্যর্থ হওয়া অথবা শিক্ষার্থীরা কেবল ভর্তি হতে না পেরে অজুহাত খুঁজছে। কিন্তু কোনোটিই উপলব্ধ নথির ভিত্তিতে প্রমাণিত নয়। ব্যক্তিগত বিচ্যুতিগুলো হয়তো সমাধান করা হয়েছে কিন্তু স্ক্যানিং ও প্রশিক্ষণের ব্যর্থতার বড় অভিযোগগুলোর স্বপক্ষে আরও প্রমাণের প্রয়োজন রয়েছে। সিবিএসই ২১ আগস্টের আগে ঘটনাভিত্তিক অডিট প্রকাশ করতে পারে কি না, যাচাই করা ভুল দ্রুত সংশোধন করতে পারে কি না এবং কতজনের ভর্তি প্রভাবিত হয়েছে তা জানাতে পারে কি না সেটাই আসল পরীক্ষা।
উৎস (৩): barandbench.com, timesnownews.com, telanganatoday.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত তিনটি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটি এখন তিনটি উৎসের তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি।