
Senator Elizabeth Warren has written to Treasury Secretary Scott Bessent demanding a detailed justification for the Trump administration's intervention in the yen market, including how much taxpayer money was spent. The action,…
সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্টের কাছে এক চিঠিতে ইয়েন বাজারে ট্রাম্প প্রশাসনের হস্তক্ষেপের বিস্তারিত ব্যাখ্যা এবং তাতে কত টাকা করদাতার অর্থ ব্যয় হয়েছে তার হিসাব চেয়েছেন। ইয়েনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের যৌথ এই উদ্যোগ ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম।
সিনেট ব্যাংকিং কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য ওয়ারেন ট্রেজারির এক্সচেঞ্জ স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড বা ইএসএফ ব্যবহারের আইনি ভিত্তি এবং ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে পরামর্শ করা হয়েছিল কি না তা জানানোর দাবিও জানিয়েছেন। ট্রেজারি প্রধান অভিযানের বিষয়টি স্বীকার করলেও কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেননি।
এটি কোনো টেকনিক্যাল বিষয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক নয়। ইএসএফ হলো সংকটের সময়ের একটি হাতিয়ার, কোনো বৈদেশিক মুদ্রার জুয়া খেলার তহবিল নয়। ওয়ারেনের এই হস্তক্ষেপের খরচ ও আইনি যৌক্তিকতা নিয়ে স্বচ্ছ হিসাব চাওয়ার দাবি নির্বাহী ক্ষমতার ওপর একটি প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ। জাপানের পক্ষ থেকে মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রির আশঙ্কার বিরুদ্ধে এই হস্তক্ষেপ বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত ছিল নাকি এটি রাজনৈতিক কোনো সুবিধা দেওয়ার প্রচেষ্টা ছিল তা জানা করদাতাদের অধিকার। আগামী ২৮ আগস্ট বেসেন্টের জবাবই এ প্রশ্নের সুরাহা করবে।
সূত্র: livemint.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া সূত্রের ভিত্তিতে এআই প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।