
The yen fell below 160 per dollar, its weakest level in nearly four decades, as wide US-Japan interest-rate differences, costly energy imports and Japan’s heavy debt pressured the currency. Livemint reports that…
মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইয়েনের দর ১৬০ এর নিচে নেমে গিয়েছে যা গত চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। আমেরিকা ও জাপানের সুদের হারের বড় পার্থক্য, জ্বালানি আমদানির চড়া মূল্য এবং জাপানের বিপুল ঋণের বোঝা এই মুদ্রার ওপর চাপ বাড়িয়েছে। লাইভমিন্ট-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাপানি কর্তৃপক্ষ বারবার বাজারে হস্তক্ষেপ করলেও তা কেবল সাময়িক সুফল দিয়েছে। ব্যাংক অফ জাপানের সুদের হার মার্কিন হারের চেয়ে কম থাকায় বিনিয়োগকারীরা ডলারের সম্পদ ধরে রাখা এবং ইয়েন-অর্থায়িত ক্যারি ট্রেড চালিয়ে যাওয়াকেই সুবিধাজনক মনে করছেন।
লাইভমিন্ট-এর দ্বিতীয় প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাপানকে সহায়তার লক্ষ্যে আমেরিকাও ইয়েন কিনেছে এবং প্রয়োজনে তারা ফের এমন পদক্ষেপ নিতে পারে। জাপানের মুদ্রার অস্থিরতা এবং জাপানি ট্রেজারি বিক্রির ফলে আমেরিকার ঋণ নেওয়ার খরচের ওপর যে প্রভাব পড়ছে, তা থেকেই এই সিদ্ধান্তের কথা বলা হয়েছে। যদিও দুটি প্রতিবেদনেই বাজার সংক্রান্ত কিছু তথ্যের ভিন্নতা রয়েছে, তবে উভয়ই একমত যে গভীর অর্থনৈতিক চাপ বজায় থাকলে কেবল হস্তক্ষেপ দিয়ে ইয়েনকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করা কঠিন।
সাধারণ ভারতীয় পাঠকের কাছে ইয়েনের এই দরপতন একটি বড় বার্তা যে, সুদের হারের পার্থক্য, বাণিজ্যের খরচ এবং সরকারি ঋণের মতো মৌলিক বিষয়গুলোকে কেবল মুদ্রার ব্যবস্থাপনা দিয়ে সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। আগেরবার এই ধরনের পদক্ষেপে খুব সামান্যই সুফল পাওয়া গিয়েছিল, তাই বর্তমান হস্তক্ষেপই মুদ্রার মান চিরস্থায়ীভাবে ধরে রাখবে এমন দাবি যথেষ্ট জোরালো নয়। প্রতিবেদনে বাজারের জটিল ও পরিবর্তনশীল তথ্যের উপস্থিতি থাকায় দীর্ঘমেয়াদী ফলাফল নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
সূত্র (২): livemint.com, livemint.com (২)
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনে দুটি সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে।