
President Droupadi Murmu has given assent to the Tribunals Reforms Act, 2026, which creates a National Tribunals Commission to oversee 16 tribunals including the Central Administrative Tribunal, National Green Tribunal and NCLAT.…
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ট্রাইব্যুনাল সংস্কার আইন ২০২৬-এ অনুমোদন দিয়েছেন। এই আইনের মাধ্যমে একটি ন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল কমিশন গঠন করা হয়েছে যা কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল, ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল ও এনসিএলএটি সহ মোট ১৬টি ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে। সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে এই কমিশন ট্রাইব্যুনালের সদস্য নির্বাচন, কর্মদক্ষতা পর্যালোচনা, অভিযোগ নিষ্পত্তি ও ন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল ডেটা গ্রিড পরিচালনা করবে। কমিশনের প্রধানের নেতৃত্বাধীন সার্চ-কাম-সিলেকশন কমিটি প্রতিটি শূন্যপদের জন্য একজন করে প্রার্থী সুপারিশ করবে এবং সরকারকে তিন মাসের মধ্যে তাদের নিয়োগ করতে হবে। এই নতুন আইন ২০২১ সালের আইনকে প্রতিস্থাপন করবে এবং বর্তমান নিয়োগগুলিকে সুরক্ষা প্রদান করবে।
ন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল কমিশন গঠনের ফলে ট্রাইব্যুনাল নিয়োগে প্রশাসনের একচেটিয়া আধিপত্যের অবসান ঘটেছে ঠিকই, তবে সিলেকশন প্যানেলের সুপারিশ করা একমাত্র প্রার্থীকে প্রত্যাখ্যান করার ক্ষমতা কেন্দ্রের হাতে রেখে দেওয়ায় সেই নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি শিথিল হয়নি। বিচারবিভাগীয় স্বাধীনতার জন্য কমিশনের প্রধানের ভোট বা মতামতের চেয়েও বেশি কিছু প্রয়োজন। এর চেয়ে ভেটো-হীন একটি ব্যবস্থা অনেক বেশি স্বচ্ছ হতে পারত। এখন দেখার বিষয়, সরকার প্রথম নিয়োগের ক্ষেত্রে তিন মাসের সময়সীমা মেনে চলে নাকি সুপারিশের উপর দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করে।
সূত্র: barandbench.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে উল্লেখিত উৎস থেকে তৈরি করা হয়েছে।