
The Justice Department's new National Fraud Enforcement Division, touted by Vice President JD Vance, has been hobbled by internal strife and recruitment problems, causing some investigations to stall. The team led by…
ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের প্রচার করা বিচার বিভাগের নতুন ন্যাশনাল ফ্রড এনফোর্সমেন্ট ডিভিশন অভ্যন্তরীণ কলহ ও নিয়োগ সংকটে থমকে গেছে যার ফলে বেশ কিছু তদন্ত আটকে পড়েছে। এপ্রিল মাসে দায়িত্ব নেওয়া কলিন ম্যাকডোনাল্ডের নেতৃত্বাধীন এই দলটি মামলার কৃতিত্ব ও সম্পদ নিয়ে পুরনো একটি জালিয়াতি দমন ইউনিটের সাথে কয়েক মাস ধরে বিবাদে জড়িয়ে পড়েছে। অ্যাকসেঞ্চার ফেডারেল সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগে একটি তদন্ত পিছিয়ে গেছে কারণ কোন দলটি এর কৃতিত্ব পাবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
৭০ জনেরও বেশি কৌঁসুলিকে নতুন বিভাগে বদলি করায় এই ক্ষমতার লড়াই শুরু হয়। পুরনো ইউনিটটিকে নাম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছে যাতে শুধুমাত্র ম্যাকডোনাল্ডের দল ‘ফ্রড’ বা জালিয়াতি শব্দটি ব্যবহার করতে পারে। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত মামলার সংখ্যা নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন ম্যাকডোনাল্ড অভূতপূর্ব গতিতে কাজ করছেন। এই বিভাগে শীঘ্রই ৫০০ আইনজীবী ও সহায়ক কর্মী নিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এটি নিছক দলীয় বিদ্বেষমূলক প্রচারণা এমন ধারণা ভুল কারণ প্রকৃত সমস্যাটি ব্যবস্থাপনার বিশৃঙ্খলা। বছরে ৫০ হাজার কোটি ডলারের জালিয়াতি যে একটি বড় সমস্যা তা নিয়ে উভয় পক্ষই একমত কিন্তু প্রশাসনের দ্রুত সাফল্যের আকাঙ্ক্ষা এমন এক অভ্যন্তরীণ লড়াই তৈরি করেছে যা প্রকৃত মামলার গতি কমিয়ে দিচ্ছে। নতুন বিভাগটি এই অভ্যন্তরীণ বিবাদ কাটিয়ে উঠতে পারে কিনা এবং তাদের কাজের ফল বাগাড়ম্বরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় কিনা তা-ই এখন দেখার বিষয়। এটি সুশাসনের প্রমাণ নাকি কেবল রাজনৈতিক চাল তা সময়ই বলে দেবে।
সূত্র: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া সূত্রের ভিত্তিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।