
The US Department of Homeland Security named five migrants deported by Immigration and Customs Enforcement on 31 July, 1 August and 2 August. It described them as dangerous criminals and said their…
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ৩১ জুলাই, ১ আগস্ট ও ২ আগস্ট ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের মাধ্যমে বহিষ্কৃত পাঁচ অভিবাসীর নাম প্রকাশ করেছে। তাদের বিপজ্জনক অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে বিভাগটি জানিয়েছে যে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ, যৌন অপরাধ, মাদক চোরাচালান ও সহিংস অপরাধের মতো অভিযোগ রয়েছে। বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা হন্ডুরাস, লাইবেরিয়া, মেক্সিকো, গুয়াতেমালা ও চীনের নাগরিক।
ডিএইচএস সচিব মার্কওয়েন মালিন জানিয়েছেন যে এই পদক্ষেপ ট্রাম্প প্রশাসনের অপরাধী রেকর্ডধারী অভিবাসীদের ওপর কঠোর নজরদারির প্রতিফলন। তবে এই পাঁচজন কখন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন বা তাদের কোথায় ফেরত পাঠানো হয়েছে সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। অধিকারকর্মীরা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও এই নীতির সুদূরপ্রসারী প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
এই ঘোষণাটি বহিষ্কারের বিষয়টিকে কঠোর আইনশৃঙ্খলার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে উপস্থাপন করলেও এর প্রক্রিয়াগত প্রেক্ষাপট স্পষ্ট নয়। এর ফলে ডিএইচএস বর্ণিত অপরাধের বাইরে গিয়ে মামলাগুলো পর্যালোচনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। সহিংস অপরাধীদের নিয়ে জনমনে উদ্বেগ থাকাটা স্বাভাবিক, তবে একইসঙ্গে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়টিও উপেক্ষা করা যায় না। নিরপেক্ষ সূত্র ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আইনি নথিপত্র ছাড়া শুধু বহিষ্কারের ঘটনা দিয়ে এই নীতি কতটা সফল বা ব্যর্থ তা নির্ধারণ করা অকালপক্কতা হবে।
সূত্র: www.hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা উপরোক্ত লিঙ্কের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে।