
The Bombay High Court has ordered the urgent discharge of 1,880.26 metric tonnes of LPG from the vessel LPG Amir Gas at Jaigarh Port in Ratnagiri, citing serious safety defects that could…
বোম্বে হাইকোর্ট রত্নাগিরির জয়গড় বন্দরে থাকা এলপিজি আমির গ্যাস জাহাজ থেকে ১,৮৮০.২৬ মেট্রিক টন এলপিজি জরুরি ভিত্তিতে খালাসের নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের মতে জাহাজটিতে গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি রয়েছে যা ৫-১০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বড় বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। জেএসডব্লিউ জয়গড় পোর্ট লিমিটেডের একটি অন্তর্বর্তীকালীন আবেদনের ভিত্তিতে বিচারপতি অভয় আহুজা এই নির্দেশ দেন। গত ৫ আগস্ট ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ শিপিংয়ের পরিদর্শনে দেখা যায় জাহাজের প্রধান কার্গো কুলিং পাম্প, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা এবং ইনার্ট গ্যাস ব্যবস্থা অকেজো হয়ে আছে এবং জাহাজের বিমার মেয়াদও উত্তীর্ণ হয়েছে।
আদালত জানিয়েছে যে কোনো পক্ষ ৩৪,৭৮,৪৮১ এইডি নিরাপত্তা জামানত জমা দিয়ে কার্গোটি গ্রহণ করতে পারবে। বাদপক্ষ এই অর্থ জমা দিতে সম্মত হলে আদালত তাদের অনুমতি দেয়। আদালত বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে যে যদি কোনো নিরাপত্তা জামানত জমা না পড়ে তবুও নিরাপদ খালাসের পরিকল্পনা যেন রাখা হয়। এছাড়া জাহাজের মালিককে নাবিকদের খাদ্য ও পানীয় সরবরাহ করতে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে বিমা সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাহাজটি বর্তমানে আটক রয়েছে।
আদালতের এই হস্তক্ষেপ সময়োপযোগী হলেও বিষয়টি একটি গভীর সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে। বিমার মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া এবং কুলিং বা অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা বিকল থাকা সত্ত্বেও এই এলপিজি বহনকারী জাহাজটি কীভাবে রত্নাগিরি উপকূলে নোঙর করল? বড় বিপদের সতর্কবার্তা পাওয়ার পর বন্দর কর্তৃপক্ষ ও আদালতের সক্রিয় হওয়ার ঘটনা নতুন কিছু নয়। আসল পরীক্ষার বিষয় হলো ডিজি শিপিং তাদের পরিদর্শন রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ করবে কি না এবং এত বড় ঝুঁকি দীর্ঘদিন ধরে কেন উপেক্ষা করা হলো তার জন্য কোনো বন্দর বা উপকূলীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না।
সূত্র: freepressjournal.in
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলন করা হয়েছে।