
The Delhi High Court has questioned whether the concept of personality rights is 'acquiring amoebic proportions' while hearing a case filed on behalf of 14-year-old Aaradhya Bachchan by her father Abhishek Bachchan…
২০২৩ সালে ১৪ বছরের আরাধ্যা বচ্চনের হয়ে তার বাবা অভিষেক বচ্চনের দায়ের করা একটি মামলার শুনানিতে দিল্লি হাই কোর্ট প্রশ্ন তুলেছে যে পার্সোনালিটি রাইটসের ধারণাটি কি এখন আমিবিক বা অনিয়ন্ত্রিত আকার ধারণ করছে। বিচারপতি অনুপ জয়রাম ভাম্বানি জানতে চেয়েছেন যে একটি পারিবারিক নামের খ্যাতি কত প্রজন্ম পর্যন্ত বিস্তৃত থাকতে পারে এবং ভুয়া খবর আদৌ কোনো মেধা স্বত্ব বা ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি আইন লঙ্ঘন করে কিনা।

ইউটিউব চ্যানেল এবং নামহীন বিবাদীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এই মামলায় অভিযোগ তোলা হয়েছে যে আরাধ্যা গুরুতর অসুস্থ বা হাসপাতালে ভর্তি কিংবা মারা গেছে বলে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আদালত সেইসব প্ল্যাটফর্মকে নোটিশ দিয়েছিল যারা শিশুটির ছবি বিকৃত করে তাতে পুষ্পমাল্য জড়িয়ে প্রচার করেছিল। বিচারপতি এও প্রশ্ন তুলেছেন যে মানহানির মামলাকে কি ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলা যায়।

দিল্লি হাই কোর্ট যথার্থই একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করেছে। অমিতাভ বচ্চন থেকে শুরু করে অলখ পাণ্ডে পর্যন্ত সেলেব্রিটিরা এখন পার্সোনালিটি রাইটস দাবি করার জন্য ছুটছেন কিন্তু আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো স্বতন্ত্র বাণিজ্যিক মূল্য রক্ষা করা না কি প্রতিটি পারিবারিক বিবাদকে আইনি রূপ দেওয়া। বিচারপতি ভাম্বানির প্রশ্ন ‘কার পার্সোনালিটি রাইটস?’ আসলে ইউটিউবের প্রতিটি মানহানিকর ভিডিওকে মেধা স্বত্ব সংক্রান্ত মামলায় পরিণত করার ঝুঁকিকে সামনে নিয়ে এসেছে। এখন দেখার বিষয় আদালত কীভাবে এই মৌলিক দ্বন্দ্বের মীমাংসা করে যে এমন কোনো শিশু যার কোনো কাজ করার ইতিহাস নেই সে কি আদৌ পার্সোনালিটি রাইটস দাবি করতে পারে। এই উত্তরটিই নতুন নজির স্থাপন করবে।
সূত্র: medianama.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এআই প্রযুক্তি দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।