
Delhi's Ridge, now a quiet green stretch near Delhi University, was a crucial British military position during the 1857 mutiny. Historian Swapna Liddle told PTI that the Flagstaff Tower served as a…
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে বর্তমানে শান্ত সবুজ ঘেরা দিল্লির রিজ এলাকা ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সময় ব্রিটিশদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ছিল। ইতিহাসবিদ স্বপ্না লিডল পিটিআইকে জানিয়েছেন যে ফ্ল্যাগস্টাফ টাওয়ার তখন সিগন্যাল পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হতো। অন্যদিকে হিন্দু রাও হাউস এবং চৌবুর্জি মসজিদকে কামান বসানোর ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ইতিহাসবিদ সোহেল হাশমি জানিয়েছেন যে ফিরোজ শাহ তুঘলকের তৈরি চতুর্দশ শতাব্দীর মানমন্দির পীর গায়েবকে ব্রিটিশরা তাদের কমান্ড সদর দপ্তর বানিয়েছিল।
স্থানীয় লোককথা অনুযায়ী খূনি ঝিল নামের একটি জলাশয় সে সময়কার সহিংসতার কারণে রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল। ১৮৬৩ সালে নির্মিত মিউটিনি মেমোরিয়াল এই সংঘর্ষে নিহত ব্রিটিশ সৈন্যদের স্মৃতি বহন করছে। পরিবেশবিদ একতা খুরানা জানান যে ব্রিটিশরা তাদের সিভিল লাইন্স এলাকার আশেপাশে দ্রুত সবুজায়ন করার জন্য বিদেশি প্রজাতির দ্রুত বর্ধনশীল গাছ লাগানোর ফলে রিজ এলাকার উদ্ভিদবৈচিত্র্য পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছিল।
রিজের ইতিহাস আমাদের দেখায় কিভাবে ক্ষমতার দাপটে ইতিহাস ও পরিবেশকে বদলে দেওয়া হয়। ব্রিটিশরা যেমন এই রণক্ষেত্রকে বিদেশি গাছ লাগিয়ে ‘অভিজাত’ রূপ দিয়েছিল ঠিক তেমনি ঔপনিবেশিক বয়ান ব্যবহার করে স্বাধীনতা সংগ্রামকে তারা ‘সিপাহী বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করেছিল। ভারতীয় পাঠকদের উচিত এই একপাক্ষিক স্মৃতিস্তম্ভের ধারণার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলা। মিউটিনি মেমোরিয়ালে শুধু ব্রিটিশদের নাম রয়েছে অথচ সেখানে লড়াই করা ভারতীয় যোদ্ধাদের কোনো উল্লেখ নেই। আজ রিজের কয়টি ফলকে সেই বিদ্রোহী সিপাহীদের কথা লেখা আছে যারা সেখানে প্রাণ দিয়েছিলেন? এই নীরবতাই যেন এক বড় সত্য কথা বলছে।
সূত্র: rediff.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা সংকলিত হয়েছে।