
The government has raised more than Rs 62,000 crore in 2026 by selling minority stakes in 10 public-sector companies, The Economic Times reports. The largest transaction was the Rs 31,552-crore sale of…
দ্য ইকোনমিক টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সরকার ২০২৬ সালে ১০টি সরকারি সংস্থার সংখ্যালঘু অংশীদারিত্ব বিক্রি করে ৬২,০০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় লেনদেনটি ছিল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া-র ৬.৫ শতাংশ অংশীদারিত্ব বিক্রি করে ৩১,৫৫২ কোটি টাকা আয়, যা এই সংস্থায় সরকারি মালিকানাকে ১০ শতাংশে নিয়ে এসেছে।
স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে ইস্পাত, বিদ্যুৎ, খনি, ব্যাংকিং, পরিবহন এবং অন্যান্য শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকারি সংস্থাগুলো তৈরি করা হয়েছিল, যা তখন বেসরকারি মূলধনের পক্ষে সম্ভব ছিল না। ১৯৯১ সালের অর্থনৈতিক সংকটের আগে রাষ্ট্রায়ত্তকরণের মাধ্যমে এদের ভূমিকা প্রসারিত হয়েছিল, কিন্তু সেই সংকট ভারতকে উদারীকরণ ও বিলগ্নীকরণের পথে ঠেলে দেয়। সর্বশেষ এই বিক্রির ঘটনাগুলো রাষ্ট্রকে এই ব্যবসাগুলোর কতটা মালিকানায় থাকতে হবে তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, যদিও তেল, কয়লা, প্রতিরক্ষা, বিদ্যুৎ, রেলওয়ে এবং আর্থিক পরিষেবার ক্ষেত্রে সরকারি কোম্পানিগুলো এখনও অপরিহার্য।
সহজ ধারণা হলো, প্রতিটি সরকারি সংস্থাই হয় একটি বোঝা অথবা জাতীয় সম্পদ যা পুরোপুরি সরকারি মালিকানাধীন থাকা উচিত। এই উভয় দাবিই ইতিহাসকে উপেক্ষা করে। বেসরকারি মূলধন যখন অপ্রতুল ছিল, তখন এই প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের সক্ষমতা গড়ে তুলেছিল। কিন্তু মালিকানা আর জনস্বার্থ এক বিষয় নয়। পরীক্ষার বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন: প্রতিটি বিক্রয় কি কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ না কমিয়ে দক্ষতা ও জনমূল্য বৃদ্ধি করছে? এই নীতিটি প্রকৃত সংস্কার নাকি কেবল তহবিল সংগ্রহের উপায়, তা ভবিষ্যৎ আয়, ব্যবস্থাপনাগত দক্ষতা এবং পরিষেবার মান দেখলেই বোঝা যাবে।
উৎস: economictimes.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত উৎস থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে।