
More than 70% of patients at Indian oncology clinics reportedly reach care with advanced cancer, reducing treatment effectiveness and raising costs. Over three-quarters of affected households face catastrophic healthcare expenses. India recorded…
ভারতের ক্যান্সার হাসপাতালগুলোতে আসা ৭০ শতাংশেরও বেশি রোগীর রোগ অনেক দেরিতে ধরা পড়ে, যা চিকিৎসার কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় এবং খরচ বাড়িয়ে তোলে। আক্রান্ত তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি পরিবার মারাত্মক স্বাস্থ্য ব্যয়ের মুখে পড়ছে। ২০২৪ সালে ভারতে প্রায় ১৫.৬ লক্ষ নতুন ক্যান্সার রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং ৮.৭৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। জাপানে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্তদের পাঁচ বছর বেঁচে থাকার হার যেখানে প্রায় ৩৩ শতাংশ, সেখানে ভারতে এই হার মাত্র ৪ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞরা এখন রোগ প্রতিরোধ, স্কুলগুলোতে স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং দ্রুত রোগ নির্ণয়ের ওপর বেশি জোর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। বর্তমানে মূলত জরায়ুমুখ, স্তন এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের স্ক্রিনিং করা হয়। রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার শনাক্তকরণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভ্রাম্যমাণ ডায়াগনস্টিক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের ব্যবহার করে পরীক্ষার পরিধি বাড়ানো যেতে পারে। তবে এর জন্য ভারতীয় জনসংখ্যার ওপর পরীক্ষা, পর্যাপ্ত বিনিয়োগ এবং উন্নত রেফারেল ব্যবস্থা প্রয়োজন। নীতি আয়োগ ২০ হাজারেরও বেশি ক্যান্সারের প্রোফাইল নিয়ে একটি ইমেজিং বায়োব্যাংক তৈরির কাজ করছে।
অনেক রোগী যখন চিকিৎসার জন্য খুব দেরিতে আসেন, তখন দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং প্রতিরোধের দিকে নজর দেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। তবে রক্ত পরীক্ষা বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো আধুনিক পদ্ধতিগুলোকে ভারতীয় রোগীদের ওপর সঠিক তথ্য-প্রমাণ ছাড়া তাৎক্ষণিক সমাধান হিসেবে তুলে ধরা উচিত নয়। স্ক্রিনিং ব্যবস্থাকে সাশ্রয়ী করার পাশাপাশি দক্ষ জনবল এবং ফলোআপ চিকিৎসারও প্রয়োজন রয়েছে। তাই দ্রুত বড় পরিবর্তনের দাবি নিয়ে সতর্ক থাকা জরুরি, তবে কমিউনিটিভিত্তিক চিকিৎসার ওপর জোর দেওয়ার বিষয়টি অবশ্যই প্রশংসনীয়।
সূত্র: www.thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।