
The Malabar Train Passengers Welfare Association held a stand-up protest at Kozhikode railway station on Sunday, August 16, demanding more train services for north Kerala. The protest, opened by MLA K. Jayanth,…
দক্ষিণ রেলের উদাসীনতার অভিযোগ তুলে রবিবার ১৬ আগস্ট উত্তর কেরলের একদল যাত্রী কজিকোড়ে রেল স্টেশনে দাঁড়িয়ে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন। মালাবার ট্রেন প্যাসেঞ্জার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে মহামারী চলাকালীন বাতিল হওয়া কজিকোড়ে-ত্রিশুর প্যাসেঞ্জার এবং ত্রিশুর-কজিকোড়ে প্যাসেঞ্জার ট্রেনগুলি এখনও পুনরায় চালু করা হয়নি।
সংগঠনটি পালাক্কাড-কান্নুর এক্সপ্রেসের সময়সূচী পরিবর্তন করে বিকেল ৪টেয় শোরানুর থেকে চালানোর দাবি জানিয়েছে। সেই সঙ্গে যাত্রাপথের প্রতিটি স্টেশনে ট্রেনটির স্টপেজ এবং কান্নুর-কোয়েম্বাটোর এক্সপ্রেসে অন্তত ১৮টি কামরা সংযুক্ত করার দাবিও তোলা হয়েছে। তারা পালাক্কাড থেকে মেমু ট্রেন চালানো এবং উত্তর ও মধ্য কেরলের মধ্যে ট্রেন পরিষেবা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে। কজিকোড়ের সাংসদ এম কে রাঘবন সম্প্রতি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ করেন যে ওনম উপলক্ষে চালু হওয়া বিশেষ ট্রেনের ৮০ শতাংশই দক্ষিণ কেরলের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে।
কেরলের উত্তর ও দক্ষিণ অঞ্চলের মধ্যে ট্রেন পরিষেবার বৈষম্যের কথা বলা সহজ কিন্তু পরিসংখ্যানেই আসল সত্য লুকিয়ে থাকে। দক্ষিণ কেরলের জন্য ৮০ শতাংশ বিশেষ ট্রেন বরাদ্দের বিষয়ে রাঘবনের অভিযোগের যথাযথ উত্তর দক্ষিণ রেলকে দিতে হবে। তবে মহামারীর আগের পরিষেবা ফিরিয়ে আনা বা কামরা বাড়ানোর মতো যাত্রী সংগঠনের দাবিগুলো মোটেই অযৌক্তিক নয়। আসল পরীক্ষা হলো ওনমের আগে রেলমন্ত্রী মালাবারের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট ঘোষণা করেন কিনা নাকি রবিবারের প্রতিবাদ নীরবতার সম্মুখীন হয়। বিলম্বে পাওয়া উত্তরও একপ্রকার উত্তরই।
উৎস: thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।