
A tapestry called Khwab-e-Rafu (Dreams of Mending), made from over 100 individual pieces stitched by people in 13 cities across India, Pakistan, the UK and the US, is on display at Mool…
ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি শহরের সাধারণ মানুষের হাতে বোনা ১০০টিরও বেশি টুকরো জোড়া দিয়ে তৈরি হয়েছে ‘খওয়াব-এ-রফু’ (মেরামতের স্বপ্ন) নামের এক বিশেষ ট্যাপেস্ট্রি। বর্তমানে দক্ষিণ এক্সটেনশনের মূল-এ ‘তানা বানা’ প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে এটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মাছের নকশা করা একটি হলুদ টুকরো, যা দেশভাগের সময় ভিটেমাটি ছেড়ে আসা এক দিদিমার শাড়ি থেকে তৈরি। ওই দিদিমা জীবদ্দশায় আর পাকিস্তানে ফিরে যেতে পারেননি। দক্ষিণ এশিয়ার টেক্সটাইল আর্কাইভ ‘রফুনামা’-র রুবিনা সিংয়ের পরিকল্পনায় ২০২৫ সালের আগস্ট থেকে ২০২৬ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত সেলাইয়ের কর্মশালাগুলো চলেছিল।
হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে যে, দুই দেশের মধ্যে ডাক ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় পাকিস্তানের টুকরোগুলো প্রথমে দুবাইয়ে এক বন্ধুর কাছে পাঠিয়ে সেখান থেকে দিল্লিতে নিয়ে আসতে হয়েছে। এই ট্যাপেস্ট্রিটি এরপর যুক্তরাষ্ট্র, লন্ডন ও পাকিস্তানে প্রদর্শিত হবে। দেশভাগের ৮০ বছর পূর্তিতে ২০২৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট এটি করাচিতে প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রদর্শনীতে শিল্পীদের সাথে আলোচনা, ট্যাপেস্ট্রি তৈরির তথ্যচিত্র ও নিজামুদ্দিনে রাত্রিকালীন হাঁটার মতো আয়োজনও থাকছে।
ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক চিরতরে ভেঙে গেছে—এই সহজ সরল বয়ানটিকে ভুল প্রমাণ করছে সীমান্ত পেরিয়ে আসা এই সেলাই করা শিল্পকর্মটি। এই প্রকল্প প্রমাণ করে যে দুই দেশের সাধারণ মানুষ সংঘাত নয়, বরং সংযোগ চায়। সরকার ভিসা ও গুলির নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে, কিন্তু একজন দিদিমার শাড়ির টুকরোকে দুবাই হয়ে দিল্লি পৌঁছাতে তারা আটকাতে পারে না। আসল পরীক্ষা হবে ২০২৭ সালে করাচিতে এই ট্যাপেস্ট্রি প্রদর্শনী কোনো সরকারি বাধা ছাড়া সম্পন্ন হয় কি না। সেই উত্তরই বলে দেবে সাধারণ মানুষ নাকি নীতি, কোনটি আসলে ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
সূত্র: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে উল্লিখিত সূত্র থেকে তৈরি করা হয়েছে।