
Telangana has allocated Rs 1,000 crore for Godavari Maha Pushkaralu-2027, with works starting in the first week of September, Industries Minister D Sridhar Babu announced. He directed officials to complete tendering by…
২০২৭ সালের গোদাবরী মহা পুষ্করমের প্রস্তুতির অঙ্গ হিসেবে কোন্নাসীমার জেলা কালেক্টর আর মহেশ কুমার ৩৯.৫০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ১০৫টি পুষ্কর ঘাট নির্মাণের কথা ঘোষণা করেছেন। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নতুন বৈদ্যুতিক খুঁটি ও ট্রান্সমিশন লাইন সহ মোট ১৩.৭০ কোটি টাকার প্রস্তাব প্রস্তুত করা হয়েছে। দমকল পরিষেবার জন্য অতিরিক্ত ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
অমলপুরমে ব্যবস্থার পর্যালোচনা করার সময় কালেক্টর সংশ্লিষ্ট সমস্ত দপ্তরকে ঘাট নির্মাণ, রাস্তা, বিদ্যুৎ, পানীয় জল, নিকাশি ব্যবস্থা, চিকিৎসা পরিষেবা, পরিবহণ, নিরাপত্তা এবং পার্কিংয়ের বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। নরসিপুড়ি, গুডিমাল্লঙ্কা ও মানেপল্লীতে তিনটি নতুন সাবস্টেশনের জন্য টেন্ডার ডাকা হয়েছে। কালেক্টর জানান, পূর্বের পুষ্করমের তুলনায় এবার পুণ্যার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
২০২৭ সালের গোদাবরী মহা পুষ্করমের জন্য কোন্নাসীমা প্রশাসনের আগাম পরিকল্পনাকে স্বাগত জানানো উচিত। তবে ১০৫টি ঘাটের জন্য মাত্র ৩৯.৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দের বিষয়টি গুণমান ও দীর্ঘস্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে। বিদ্যুৎ ও দমকল পরিষেবার জন্য অনেক বড় অঙ্কের টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে আসল চ্যালেঞ্জটি পরিকাঠামো উন্নয়ন, শুধুমাত্র ঘাট নির্মাণ নয়। প্রস্তাবিত তিনটি সাবস্টেশন সময়মতো সম্পন্ন হয় কিনা এবং কোনো দেরি ছাড়াই টেন্ডার চূড়ান্ত করা হয় কিনা, সেটাই হবে এই প্রস্তুতির আসল পরীক্ষা।
সূত্র: deccanchronicle.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া লিঙ্ক থেকে এআই-এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।