
The Kerala State Human Rights Commission (KSHRC) has directed the Ernakulam district administration to inspect 70 abandoned quarries considered accident risks and install protective fencing, gates and warning boards. Chairperson Justice Alexander…
কেরালা রাজ্য মানবাধিকার কমিশন (KSHRC) এরনাকুলাম জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে যে ৭০টি পরিত্যক্ত খাদান পরিদর্শন করতে হবে যেখানে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া সেখানে সুরক্ষার জন্য বেড়া, গেট এবং সতর্কবার্তা বোর্ড লাগাতে হবে। মুডাক্কুঝার পেট্টামালা খাদানে সম্প্রতি একজনের মৃত্যুর ঘটনার পর স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে এই নির্দেশ দিয়েছেন কমিশনের চেয়ারপারসন বিচারপতি আলেকজান্ডার থমাস।
কমিশন কর্তৃপক্ষকে খাদানের মালিকদের চিহ্নিত করে তাদের মাধ্যমে বেড়া দেওয়ার নির্দেশ দিতে বলেছে। মালিকরা যদি তা করতে ব্যর্থ হন তবে জেলা কালেক্টর ‘ডিস্ট্রিক্ট মিনারেল ফাউন্ডেশন ফান্ড’ ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন এবং পরবর্তীতে মালিকদের কাছ থেকে সেই খরচ আদায় করা হবে। ত্রিপুনিথুরা, তিরুভানিয়ুর, মুক্কান্নুর, ভারাপট্টি, পারাক্কাডাভু এবং মালায়াত্তুর-নিলিসভারামের বিপজ্জনক খাদানগুলি এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। ভূ-তত্ত্ব বিভাগ কেরালা মাইনর মিনারেল কনসেশন বিধিতে সংশোধনী আনার সুপারিশ করেছে যাতে মালিকদেরই একমাত্র দায়বদ্ধ করা যায়। ছয় সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে গৃহীত পদক্ষেপের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
মানবাধিকার কমিশনের এই পদক্ষেপ অবশ্যই স্বাগত জানানোর মতো। তবে একটি পুরনো প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে যে, খনন কাজ বন্ধ হওয়ার পর এত দীর্ঘ সময় ধরে কেন এই খাদানগুলিকে বিপদজনক অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছিল। শুধুমাত্র মালিকদের ওপর দায় চাপিয়ে স্থানীয় প্রশাসন এবং ভূ-তত্ত্ব বিভাগের নজরদারির দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বেড়া দেওয়ার জন্য ডিস্ট্রিক্ট মিনারেল ফাউন্ডেশন ফান্ডের ব্যবহার একটি বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত, তবে বাস্তবে মালিকদের কাছ থেকে সেই অর্থ আদায় করা কতটা সফল হবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। ছয় সপ্তাহ পর জমা দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতেই বোঝা যাবে যে, চিহ্নিত ৭০টি খাদানে আদৌ বেড়া দেওয়া হয়েছে কি না, আর সেটিই হবে আসল পরীক্ষা।
সূত্র: english.mathrubhumi.com
এই প্রতিবেদনটি উপরের লিঙ্কে থাকা উৎস থেকে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।