
Maharashtra FDA suspended 14 food business licences after a statewide inspection of 86 quick-commerce facilities on August 13. Five were linked to Blinkit, five to Zepto, and two to Instamart, along with…
গত ১৩ আগস্ট রাজ্যজুড়ে ৮৬টি কুইক কমার্স সেন্টারে অভিযান চালিয়ে মোট ১৪টি ফুড লাইসেন্স বাতিল করেছে মহারাষ্ট্র ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। এর মধ্যে ব্লিঙ্কিট ও জেপ্টোর পাঁচটি করে, ইন্সটামার্টের দুটি এবং ভগবতী স্টোর ও সোয়িন্সটা ইএনটি প্রাইভেট লিমিটেডের একটি করে লাইসেন্স রয়েছে। এফডিএ জানিয়েছে একটি কেন্দ্রকে সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ৬০টি ক্ষেত্রে উন্নতির নোটিশ দেওয়া হয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো লাইসেন্স স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়নি।
পরিদর্শনকালে গুরুতর স্বাস্থ্যবিধি ও পণ্য সংরক্ষণের নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। ঘাটকোপারে ব্লিঙ্কিটের একটি সেন্টারে নোংরা তাক, পচা সবজি ও আরশোলা পাওয়ার কথা জানিয়েছেন পরিদর্শকরা। আন্ধেরিতে জেপ্টোর আউটলেটে তাপমাত্রার সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও নথিপত্রের অভাব লক্ষ্য করা গেছে। রাজইডি রিটেইলের একটি কেন্দ্রে মেয়াদোত্তীর্ণ মুরগির মাংস ০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের পরিবর্তে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখা ছিল। পুনেতে জেপ্টোর একটি ইউনিটে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য পাওয়া গেছে এবং সোয়িন্সটা ইএনটি সেন্টারে আরশোলার উপদ্রব ও কোল্ড চেইনে ত্রুটি দেখা গেছে।
কুইক কমার্স সংস্থাগুলো প্রযুক্তি নির্ভর সতেজতা ও দ্রুত ডেলিভারির দাবি করে। কিন্তু আরশোলা, পচা সবজি কিংবা ভুল তাপমাত্রায় সংরক্ষিত মাংসের মতো এফডিএ-র এই পর্যবেক্ষণ বিপণন ও বাস্তবতার ফারাক স্পষ্ট করে দেয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থার পদক্ষেপ নিয়ে অভিযোগ তোলার বদলে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন করা উচিত যে এই মৌলিক ত্রুটিগুলো কেন কেবল বিশেষ অভিযানের সময়ই ধরা পড়ে? এখন আসল পরীক্ষা হলো এই কোম্পানিগুলো কেবল ক্ষমা চাইবে নাকি পরবর্তী পরিদর্শনের আগেই ডার্ক স্টোরগুলোর পরিস্থিতির উন্নতি ঘটাবে।
সূত্র (২): ndtvprofit.com, rediff.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি উৎস থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।