
Former Trinamool Congress MLA Nirmal Ghosh was mobbed with eggs, sticks, kicks, and slaps outside Khardah police station in Kolkata on Friday while being escorted to Barrackpore Court. He was arrested a…
বারাকপুর আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় শুক্রবার খড়দহ থানার বাইরে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে ডিম ছুঁড়ে মারা হয় এবং লাঠি দিয়ে আঘাত ও চড়-থাপ্পড় মারা হয়। আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার পর তড়িঘড়ি দেহ দাহ করার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ওড়িশা থেকে গ্রেফতারের একদিন পর এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ তাকে আট দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে। তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ও হামলার শিকার হয়েছেন।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর তৃণমূল নেতাদের ওপর গণপিটুনির এটি একটি ধারাবাহিক ঘটনা। এর আগে তৃণমূল চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করা হয়েছে। তৃণমূল এর জন্য বিজেপিকে দায়ী করলেও বিজেপি সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। রাজ্যের নেতাদের নিরাপত্তা দিতে প্রশাসনের ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কলকাতা হাইকোর্ট।
নির্মল ঘোষের ওপর এই হামলাকে তৃণমূল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র এবং বিজেপি ন্যায়সঙ্গত জনরোষ বলে দাবি করছে। তবে এই উভয়পক্ষীয় বয়ানই সমস্যার মূল গভীরতাকে এড়িয়ে যাচ্ছে। কোনো অবস্থাতেই বিচার ব্যবস্থার বিকল্প হতে পারে না উন্মত্ত জনতা। পুলিশ একজন অভিযুক্তের সুরক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় এটি স্পষ্ট যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। কলকাতা হাইকোর্ট বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এখন বড় প্রশ্ন হলো পুলিশ কি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইপিসি অনুযায়ী মামলা রুজু করবে নাকি এটিও বেছে বেছে বিচারের আরেকটি উদাহরণ হয়ে থাকবে?
উৎস (২): thehindu.com, odishatv.in
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।