
Terminated employees of the National Testing Agency (NTA) have approached the Chief Labour Commissioner, alleging that only contractual and outsourced staff were sacked while permanent officials faced no action. The NTA dismissed…
ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (NTA) বরখাস্ত হওয়া কর্মীরা চিফ লেবার কমিশনারের দ্বারস্থ হয়ে অভিযোগ করেছেন যে, কেবল চুক্তিভিত্তিক ও আউটসোর্স করা কর্মীদের ছাঁটাই করা হয়েছে, অথচ স্থায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এনটিএ ২৪ জুলাই পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে ৪৭ জন কর্মীকে ছাঁটাই করে। তবে ভুক্তভোগী কর্মীদের দাবি, তাঁদের মধ্যে ৪৪ জন চুক্তিভিত্তিক ছিলেন এবং শেষ মুহূর্তে তিনজনকে রেখে দেওয়া হয়। তাঁরা জানিয়েছেন, দিল্লির সদর দপ্তরে পুলিশ তাঁদের প্রবেশ করতে বাধা দেয়, পরিচয়পত্র কেড়ে নেয় এবং ব্যক্তিগত জিনিসপত্র সংগ্রহের সুযোগ দেয়নি। অনেকের হাতে কোনো বরখাস্তের চিঠি বা লিখিত কারণ জানানো হয়নি।
টাইমস নাও ডিজিটালের রিপোর্ট অনুযায়ী, কর্মীরা প্রশ্ন তুলেছেন যে, নিট ইউজি (NEET UG) এবং ইউজিসি নেট (UGC NET) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কেন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়নি। তাঁদের অভিযোগ, চূড়ান্ত প্রশ্নপত্র কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে তৈরি হলেও কোনো অনুমোদিত ব্যক্তি সম্ভবত সুরক্ষিত কক্ষ থেকে তা বাইরে নিয়ে গিয়ে ছবি তুলেছেন। কর্মীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার পুরো বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
সরকারের সিদ্ধান্তমূলক পুনর্গঠনের দাবিটি তখন ফাঁপা মনে হয় যখন শুধুমাত্র নিম্নস্তরের চুক্তিভিত্তিক কর্মীরাই চাকরি হারান। নিট এবং ইউজিসি নেট অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত থাকা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কেন কোনো তদন্তের মুখে পড়তে হচ্ছে না, ভুক্তভোগী কর্মীরা সেই প্রশ্ন তুলেছেন। কেন্দ্র যদি মানুষের আস্থা ফেরাতে চায়, তবে চিফ লেবার কমিশনারের তদন্তে কেবলমাত্র আউটসোর্স করা কর্মীদের নয়, বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার গোটা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিষয়টি স্পষ্ট, কোনো স্থায়ী কর্মকর্তা কি আদৌ কোনো পরিণতির মুখোমুখি হবেন? উত্তরটিই বলে দেবে এটি প্রকৃত সংস্কার নাকি কাউকে বলিদান করা হচ্ছে।
সূত্র: timesnownews.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা সংকলিত হয়েছে।