
Karnataka Minister Ajay Dharam Singh said the government has launched measures to address drought and drinking water shortages in Raichur district. The district administration has Rs 4.95 crore in its Personal Deposit…
কর্ণাটকের মন্ত্রী অজয় ধরম সিং জানিয়েছেন যে রায়চুর জেলায় খরা ও পানীয় জলের সংকট মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। জরুরি কাজের জন্য জেলা প্রশাসনের ব্যক্তিগত আমানত অ্যাকাউন্টে ৪.৯৫ কোটি টাকা রয়েছে এবং মুখ্যমন্ত্রী ডি.কে. শিবকুমার প্রতিটি তালুকের জন্য ১ কোটি টাকা বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেছেন। সিং জানিয়েছেন যে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় রিপোর্ট চেয়েছেন।
চলতি খারিফ মরসুমে ৫.৭১ লক্ষ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে মাত্র ২.৭৩ লক্ষ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। সরকারি সহায়তা ও কারিগরি নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও এই ঘাটতি দেখা দিয়েছে। সিং আরও বলেন যে একটি প্রতিনিধি দল কল্যাণ কর্ণাটক অঞ্চলের জন্য কেন্দ্রীয় অনুদান এবং রায়চুরের উচ্চাকাঙ্ক্ষী জেলা কর্মসূচির বকেয়া তহবিল পাওয়ার চেষ্টা করবে। সরকার ফসল বিমা যোজনার আওতায় মধ্যমেয়াদী ফসলহানির ২৫ শতাংশ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।
সহজ কথায় এটি খরা ত্রাণ পাওয়ার ঘটনা অথবা সরকারের ব্যর্থতার প্রতিফলন। শুধুমাত্র ঘোষণার মাধ্যমে কোনটিই প্রমাণিত হয় না। আসল পরীক্ষা হলো প্রতি তালুকের জন্য ঘোষিত ১ কোটি টাকা পানীয় জলের কাজে খরচ হয় কি না, কৃষকরা ক্ষতিপূরণ পান কি না এবং চাষের জমির পরিমাণ ২.৭৩ লক্ষ হেক্টর থেকে বাড়ে কি না। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের উচিত শুধুমাত্র বকেয়া অনুদান নিয়ে অভিযোগ বিনিময় না করে অর্থ বরাদ্দের তারিখ ও খরচের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করা।
সূত্র: thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া সূত্রের ভিত্তিতে এআই-এর মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।