
Rohingya refugees in Malaysia are facing online threats, school closures and possible deportation to Myanmar, Hindustan Times reports. Malaysia announced plans on July 29 to send about 5,000 refugees back, despite warnings…
হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থীরা অনলাইন হুমকি স্কুল বন্ধ এবং মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের ঝুঁকির মুখে পড়েছেন। ২৯ জুলাই মালয়েশিয়া সরকার প্রায় ৫ হাজার শরণার্থীকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে যদিও তাদের নিরাপত্তা নিয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। লাইসেন্স সংক্রান্ত জটিলতা বা নিরাপত্তার আশঙ্কায় জুন ও জুলাই মাসে অন্তত নয়টি অনানুষ্ঠানিক রোহিঙ্গা স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া উচ্ছেদের শিকার হয়ে কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘের দপ্তরে আশ্রয় নিতে যাওয়া শতাধিক শরণার্থীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
মালয়েশিয়ায় সরকারিভাবে এক লক্ষেরও বেশি রোহিঙ্গা নিবন্ধিত থাকলেও তারা সেখানে বৈধভাবে কাজ করতে পারেন না এবং তাদের সন্তানরা সরকারি স্কুলে ভর্তির সুযোগ পায় না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি বিভিন্ন ভুয়া পোস্টের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। গত বছর প্রায় ৬ হাজার ৫০০ রোহিঙ্গা মালয়েশিয়ায় সমুদ্রপথে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছিলেন যা ২০২৩ সালে ছিল ৪ হাজার ৩০০ জন।
মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক সংকটের জন্য শরণার্থীদের দায়ী করার দাবিটি ভিত্তিহীন এবং এর পেছনে জনসংখ্যা বৃদ্ধি বা জমি দখল সংক্রান্ত ভাইরাল অভিযোগের কোনো প্রমাণ নেই। তবে কেবল সহমর্মিতা দিয়ে আবাসন কর্মসংস্থান বা সরকারি পরিষেবার চাপ কমানো সম্ভব নয়। মালয়েশিয়ায় শরণার্থীদের নিবন্ধন শিক্ষা ও সুরক্ষার জন্য একটি আইনগত কাঠামো প্রয়োজন এবং যে কোনো প্রত্যাবাসনের আগে তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণার তোড়ে ভেসে না গিয়ে কতজন শরণার্থী নিরাপদে নিজ দেশে ফিরতে পারবেন সেই হিসাবটিই এখন সবচেয়ে জরুরি।
উৎস: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।