
The UK has set a 24-week target for deciding certain asylum and immigration appeals to speed up removals of rejected claimants. The First-tier Tribunal must hear new appeals within this period for…
প্রত্যাখ্যাত আবেদনকারীদের দ্রুত বহিষ্কারের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ব্রিটেন কিছু নির্দিষ্ট আশ্রয় ও অভিবাসন সংক্রান্ত আপিলের নিষ্পত্তির জন্য ২৪ সপ্তাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ফার্স্ট-টায়ার ট্রাইব্যুনালকে এখন থেকে বিদেশি অপরাধী এবং সরকারি আশ্রয় সহায়তা গ্রহণকারী ব্যক্তিদের নতুন আপিলগুলো এই সময়ের মধ্যেই শুনতে হবে। ১২ আগস্ট থেকে আসা মামলাগুলোর ক্ষেত্রে এই নিয়ম কার্যকর হবে। বর্তমানে দেড় লক্ষেরও বেশি আপিল ঝুলে আছে এবং গড়ে ৬৭ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী গত এক বছরে ভারতীয় নাগরিকদের আশ্রয় মঞ্জুরির হার ছিল মাত্র ১ শতাংশ। নতুন অভিবাসন ও আশ্রয় বিল সহ এই সংস্কারের মাধ্যমে সরকার ৬৯০০ মিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয় এবং করদাতাদের টাকায় চলা বাসস্থানের ওপর নির্ভরতা কমানোর আশা করছে। এই দীর্ঘসূত্রতা কাটাতে ২০২৪-২৫ সালে ট্রাইব্যুনালের কর্মদিবস ১৯ শতাংশ বাড়ানো হবে।
ভারতীয় পাঠকদের কাছে ব্রিটেনের এই কঠোর পদক্ষেপটি স্পষ্ট। ভারতীয়দের ক্ষেত্রে আশ্রয় মঞ্জুরির হার মাত্র ১ শতাংশ হওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত দেয় যে এটি স্বচ্ছ বিচারের চেয়ে নির্বাসন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করার দিকেই বেশি নজর দিচ্ছে। বাইরে থেকে এটিকে নিছক কঠোরতা হিসেবে প্রচার করা হলেও ৬৯০০ মিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয়ের হিসাবটি বুঝিয়ে দেয় যে ব্রিটিশ করদাতাদের সন্তুষ্টিই এর মূল উদ্দেশ্য। এখন দেখার বিষয় নতুন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইমিগ্রেশন আপিলস অথরিটি সত্যিই দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করে নাকি আশ্রয় ব্যবস্থার মূল ত্রুটিগুলো এড়িয়ে কেবল দ্রুত প্রত্যাখানের পথ বেছে নেয়।
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলন করা হয়েছে।