
The Japanese yen has fallen below 160 per dollar, its weakest level in nearly four decades. The decline reflects the wide interest-rate gap with the United States, higher energy import costs and…
ডলারের বিপরীতে জাপানি ইয়েনের দর প্রায় চার দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে ১৬০-এর নিচে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সুদের হারের বড় পার্থক্য, জ্বালানি আমদানিতে বেশি খরচ এবং দীর্ঘদিনের সহজ মুদ্রানীতির প্রভাবেই এই দরপতন হয়েছে। জাপান এবং মার্কিন কর্তৃপক্ষ এর আগেও বাজারে হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক জুন মাসে তাদের নীতি সুদ হার বাড়িয়ে ১ শতাংশ করেছে, যা নব্বইয়ের দশকের পর সর্বোচ্চ। তবে জাপানের ১০ বছর মেয়াদী বন্ডের আয় যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় কমই রয়ে গেছে। জাপান তাদের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৯০ শতাংশ পশ্চিম এশিয়া থেকে আমদানি করে এবং মে ও জুন মাসে দেশটি বাণিজ্য ঘাটতির সম্মুখীন হয়েছে। ক্যারি ট্রেড এবং ডলারে জ্বালানি কেনার চাপ ইয়েনের ওপর আরও উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলতে পারে।
ইয়েনের দরপতন কোনো একটি নির্দিষ্ট নীতির ব্যর্থতার চেয়ে বরং নানামুখী চাপের প্রতিফলন বলে মনে হচ্ছে। জাপান তাৎক্ষণিক কোনো অর্থনৈতিক সংকটের মুখে রয়েছে এমন দাবি অতিরঞ্জিত হতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশাল ব্যালেন্স শিট এবং উচ্চ সরকারি ঋণের কারণে সুদের হার হঠাৎ বাড়িয়ে দেওয়া জাপানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। জ্বালানির দাম, সুদের হারের ব্যবধান এবং বিনিয়োগকারীদের আচরণের ভবিষ্যৎ প্রভাব এখনো অনিশ্চিত, তাই এখনই কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন হবে না।
সূত্র: www.livemint.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা সংকলিত।