
Activist Snehamayi Krishna told the Karnataka High Court on Friday that the Lokayukta police's closure report in the MUDA land scam case against former chief minister Siddaramaiah and others is 'inconclusive' and…
সমাজকর্মী স্নেহময়ী কৃষ্ণা শুক্রবার কর্ণাটক হাইকোর্টকে জানিয়েছেন যে মুডা জমি কেলেঙ্কারি মামলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ও অন্যদের বিরুদ্ধে লোকায়ুক্ত পুলিশের ক্লোজার রিপোর্টটি ‘অমীমাংসিত’ এবং এটি একটি মিনি-ট্রায়ালের সমান। প্রবীণ আইনজীবী লক্ষ্মী আয়েঙ্গার সওয়াল করেন যে রিপোর্টটি প্রায় ১০,০০০ পৃষ্ঠার হলেও ট্রায়াল কোর্ট কোনও যুক্তিযুক্ত কারণ ছাড়াই তা গ্রহণ করেছে। আদালত আবেদনকারীকে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে নথি জমা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে এবং ট্রায়াল কোর্টের রেকর্ড সুরক্ষিত রাখার জন্য রেজিস্ট্রিকে নির্দেশ দিয়েছে। আদালত আগামী ২৪ আগস্ট শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য করেছে এবং বিবাদীদের আপত্তি জানানোর নির্দেশ দিয়েছে।

সমাজকর্মী একইসঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত হাইকোর্ট বিচারপতির নজরদারিতে একটি স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে নতুন করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে একই লেনদেনের ঘটনায় মুডা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিলেও ট্রায়াল কোর্ট সিদ্দারামাইয়া ও তাঁর পরিবারের জন্য বি রিপোর্ট গ্রহণ করেছে। আদালত এর আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা চালানোর জন্য রাজ্যপালের দেওয়া অনুমতি বহাল রেখেছিল।
এখানে দুটি ধারণা প্রচার করা হচ্ছে: একটি হলো ক্লোজার রিপোর্টটি সিদ্দারামাইয়াকে সম্পূর্ণ খালাস দিয়েছে এবং অন্যটি হলো এটি নিছক রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। সত্য হলো লোকায়ুক্তের ১০,০০০ পৃষ্ঠার রিপোর্টটি ট্রায়াল কোর্ট গ্রহণ করেছে, তবে একজন সমাজকর্মী এখন হাইকোর্টকে এর যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে রাজি করিয়েছেন। ক্লোজার পর্যায়ে মিনি-ট্রায়াল পদ্ধতিগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। ২৪ আগস্ট আদালত যখন আপত্তি শুনবে তখনই আসল পরীক্ষা হবে। আদালত কি নতুন তদন্তের নির্দেশ দেবে নাকি রিপোর্টটিকে যথেষ্ট বলে মনে করবে? এটাই আইনগত প্রক্রিয়া ও প্রচারের পার্থক্য স্পষ্ট করবে।
সূত্র: livelaw.in
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।