
Barely a month after the Greater Bengaluru Authority launched its 'Safe Footpaths' campaign, reclaimed pedestrian spaces across the city are being taken over again by vendors and shopfronts. The drive, backed by…
গ্রেটার বেঙ্গালুরু কর্তৃপক্ষের ‘সেফ ফুটপাথ’ বা নিরাপদ ফুটপাথ অভিযানের মাত্র এক মাসের মধ্যেই শহরের উদ্ধার করা পথচারীদের জায়গা ফের হকার ও দোকানের দখলে চলে গেছে। বেঙ্গালুরু উন্নয়ন মন্ত্রী কৃষ্ণা বাইরে গৌড়ার উদ্যোগে শুরু হওয়া এই অভিযানে ৮৫০ কিলোমিটার রাস্তা থেকে অবৈধ দোকানপাট, খাবারের গাড়ি ও হকারদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার এক পর্যবেক্ষণে গান্ধী বাজার, আইটিপিএল মেইন রোড, বাসবনগুড়ি, বিদারণ্যপুরা, আরটি নগর ও জেসি নগরের মতো ছয়টি এলাকায় ফের দখলদারি দেখা গেছে। ফুটপাথে খাবারের গাড়ি থেকে শুরু করে পণ্য সাজিয়ে বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। চন্দ্রা লেআউটের এক হকার জানান যে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার জন্য তাকে এখন আরও বেশি ‘হপ্তা’ দিতে হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই সমস্যার সমাধানে সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া এবং নিয়মিত আকস্মিক পরিদর্শনের দাবি জানিয়েছেন।
‘সেফ ফুটপাথ’ অভিযান একটি ভালো সূচনা ছিল কিন্তু নিয়মিত নজরদারি ছাড়া কেবল একবারের উদ্যোগ বেঙ্গালুরুর দীর্ঘদিনের এই দখলদারি সমস্যা মেটাতে পারবে না। কেবল উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে শহরকে পথচারীদের চলাচলের উপযোগী করে তোলার ধারণাটি অবাস্তব কারণ হকারদের কাছ থেকে তোলা আদায় এবং কর্মকর্তাদের উদাসীনতার বিষয়টি এর আড়ালে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। আসল পরীক্ষা কেবল নতুন কোনো প্রকল্প চালু করা নয় বরং মন্ত্রী বাইরে গৌড়া আকস্মিক পরিদর্শন করেন কি না এবং দোষী কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করেন কি না তা দেখার বিষয়। জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত পথচারীদের আর কত মাস ট্র্যাফিক এড়িয়ে ফুটপাথে চলতে হবে?
উৎস: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।