
The corporate affairs ministry on Friday invited applications for two members of the Competition Commission of India. The move aims to maintain the quorum needed for key antitrust decisions after member Anil…
প্রতিযোগিতা কমিশন অফ ইন্ডিয়া বা সিসিআই-এর দুটি সদস্য পদের জন্য শুক্রবার আবেদনপত্র আহ্বান করেছে কর্পোরেট বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সদস্য অনিল কুমার আগরওয়াল জুলাই মাসে পদত্যাগ করার পর গুরুত্বপূর্ণ অছিবিরোধী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কোরাম বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নেতৃত্বে রয়েছেন চেয়ারপারসন রভনীত কৌর এবং অন্য দুইজন সদস্য হলেন দীপক অনুরাগ ও শ্বেতা কক্কড়।

বড় ধরনের অছিবিরোধী বা অ্যান্টিট্রাস্ট বিষয়গুলোর নিষ্পত্তির জন্য তিনজন সদস্যের উপস্থিতি বা কোরাম বাধ্যতামূলক হলেও নেসেসিটি বা প্রয়োজনীয়তার নীতির ভিত্তিতে দুইজন সদস্যের উপস্থিতিতেই মার্জার বা একীভূতকরণের প্রস্তাবগুলো অনুমোদিত হতে পারে। বর্তমানে সিসিআই অ্যাপলের বিরুদ্ধে মামলাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শুনানি পরিচালনা করছে। নির্বাচিত প্রার্থীরা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত পাঁচ বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন এবং কোনো আবাসন বা গাড়ি সুবিধা ছাড়াই মাসে ৫ লক্ষ টাকা বেতন পাবেন। আবেদনকারীদের সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে কমপক্ষে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।
কেউ কেউ এমন প্রচার চালাচ্ছে যে সিসিআই সংকটের মধ্যে রয়েছে বা সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটিকে দুর্বল করছে। বাস্তবে শূন্যপদ পূরণ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি নিয়মিতভাবে মার্জারের অনুমোদন দিয়ে যাচ্ছে। আসল পরীক্ষা হলো নতুন সদস্যরা অ্যাপলের মতো প্রযুক্তি জায়ান্টদের বিরুদ্ধে জটিল মামলাগুলো সামলানোর জন্য গভীর বিশেষত্ব অর্জন করেছেন কিনা। কত দ্রুত এই নিয়োগ সম্পন্ন হয় এবং তারা ভারতের প্রতিযোগিতামূলক কাঠামোতে প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা নিয়ে আসতে পারেন কিনা তা দেখার বিষয়।
সূত্র: legal.economictimes.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।