
India plans to build a national sports medicine framework that will shift athlete care from a fragmented, injury-driven system to a preventive model, as the country prepares for a possible 2036 Olympic…
ভারত ২০৩৬ অলিম্পিক গেমসের সম্ভাব্য আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে খেলোয়াড়দের চিকিৎসা পরিষেবাকে বিভক্ত ও আঘাত-চালিত ব্যবস্থা থেকে প্রতিরোধমূলক মডেলে রূপান্তরিত করতে একটি জাতীয় ক্রীড়া চিকিৎসা কাঠামো তৈরি করছে। ইকোনমিক টাইমস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রস্তাবের লক্ষ্য আঘাত স্ক্রিনিং, রোগনির্ণয়, পুনর্বাসন এবং খেলায় ফেরার প্রোটোকলকে মানসম্মত করা, পাশাপাশি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলিকে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সঙ্গে সংযুক্ত করা এবং ক্রীড়া আঘাত সংক্রান্ত তথ্যের একটি জাতীয় ভাণ্ডার তৈরি করা।

সরকার ২০২৮ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এই কাঠামো চালু করার কথা বিবেচনা করছে, এবং ২০২৭-২৮ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে এই প্রস্তাব উল্লেখ করা হতে পারে। নীতি আয়োগ সম্প্রতি এম শ্রীনিবাসের অধীনে ক্রীড়া বিজ্ঞান বিষয়ক বিশেষজ্ঞ গোষ্ঠীর একটি বৈঠক ডেকেছিল, যেখানে একটি সমন্বিত ও প্রমাণ-ভিত্তিক ক্রীড়া বিজ্ঞান ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, আয়ুষ মন্ত্রণালয়, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ এবং স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: economictimes.indiatimes.com
এই গল্পটি উপরের লিঙ্কযুক্ত উৎস থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা সংশ্লেষিত হয়েছে।