
Indian textile and apparel makers including Arvind Ltd, Pearl Global Industries, and Gokaldas Exports are facing margin pressure in FY27 from higher labour costs, a sharp rise in cotton and yarn prices,…
অরবিন্দ লিমিটেড, পার্ল গ্লোবাল ইন্ডাস্ট্রিজ এবং গোকালদাস এক্সপোর্টস সহ ভারতের বস্ত্র ও পোশাক নির্মাতা সংস্থাগুলো ২০২৭ অর্থবর্ষে শ্রমিক খরচ বৃদ্ধি, তুলা ও সুতার দামের তীব্র ঊর্ধ্বগতি এবং পেট্রোকেমিকেল সংক্রান্ত ব্যয় বাড়ায় মার্জিন সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। কোম্পানিগুলো মুদ্রাস্ফীতির কিছুটা ভার নিজেরাই বহন করছে, বেছে বেছে পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে এবং স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে তুলনামূলক কম খরচের অঞ্চলে ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৭ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে পার্ল গ্লোবালের ভারতের ইবিআইটিডিএ (EBITDA) মার্জিন আগের বছরের ৭.৩ শতাংশ থেকে কমে ৬.৬ শতাংশে নেমে এসেছে, অন্যদিকে গোকালদাস ওই ত্রৈমাসিকে ২০ কোটি টাকার বাড়তি মজুরি খরচ বহন করেছে।
ভারতীয় বস্ত্র রপ্তানি বাড়ছে এমন প্রচারের আড়ালে এক কঠোর বাস্তব লুকিয়ে আছে। আয়ের তুলনায় কাঁচামালের খরচ যেভাবে বাড়ছে তাতে মুনাফার হার সংকুচিত হচ্ছে। অরবিন্দ লিমিটেডের মতো কেবল কাঁচামালের মূল্যস্ফীতি বাবদ ১০০ কোটি টাকা শুষে নেওয়া শক্তির পরিচয় নয়। আসল পরীক্ষা হলো এই কোম্পানিগুলো বৈশ্বিক ক্রেতাদের ওপর খরচের বোঝা চাপাতে পারে কিনা। বাংলাদেশ বা ভিয়েতনামের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থেকে তারা বাজার ধরে রাখতে পারবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকের অর্ডার বইয়ে যদি দাম বৃদ্ধির প্রভাব স্পষ্ট হয় তবেই পরিস্থিতির মোড় ঘুরতে পারে।
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।