
Iranian authorities have called for the release of three pilots captured in Qatar after their Su-24 fighter jets crashed during the Middle East war. General Mohammad Bagherzadeh, in a letter to the…
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর কাতারে বন্দি তিন পাইলটকে মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে ইরান। ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দ্য রেড ক্রসের কাছে লেখা চিঠিতে জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরজাদেহ জানিয়েছেন যে জাওয়াদ সালেহি, আবদোলমজিদ দাশতিয়ান এবং ইমরান বেহরাভেশিয়ান নামের ওই পাইলটরা ছয় মাস ধরে কাতারি বাহিনীর হাতে বন্দি এবং পরিবারের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি। গত মার্চ মাসে আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে হামলার সময় নিহত আরেক পাইলট মজিদ কাজেমির মরদেহ গত মাসে উদ্ধার করেছে ইরান।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালালে যুদ্ধের সূচনা হয় এবং ইরান পুরো অঞ্চলে পাল্টা আঘাত হানে। এপ্রিল মাসের যুদ্ধবিরতি ও জুন মাসের শান্তি কাঠামো ব্যর্থ হয়েছে। জুলাইয়ের শেষের দিকে সাময়িক বিরতির আগে মূলত হরমুজ প্রণালী ঘিরে বিক্ষিপ্ত লড়াই চলেছে।
ইরানি আগ্রাসনের আখ্যানে প্রায়শই এই বিষয়টি উপেক্ষা করা হয় যে, পাইলটরা কাতারে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার সময় ভূপাতিত হয়েছিলেন। এটি এমন এক যুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ যা ইরান শুরু করেনি। কাতারের হাতে নির্দোষ ব্যক্তিদের বন্দি থাকার পাল্টা আখ্যানটি এড়িয়ে যাচ্ছে যে, তারা একটি যুদ্ধের মিশনে থাকা সামরিক কর্মী। আসল পরীক্ষার বিষয় হলো, আইসিআরসি পাইলটদের কাছে পৌঁছাতে পারে কি না এবং কাতার তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের অনুমতি দেয় কি না। যদি তিনজন সত্যিই জীবিত থাকেন তবে তাদের প্রতি আচরণই বলে দেবে লড়াইয়ের বিরতি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কোনো সম্ভাবনা আছে কি না।
সূত্র (২): hindustantimes.com, ndtv.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত দুটি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটি এখন দুটি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি।