
Lilavati Hospital and Research Centre will open its first overseas facility in Kazakhstan in September as a super-speciality outpatient centre. The centre will offer consultations and treatment planning in oncology, cardiac sciences,…
লীলাবতী হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার আগামী সেপ্টেম্বরে কাজাখস্তানে তাদের প্রথম বিদেশি সুপার-স্পেশালিটি আউটপেশেন্ট কেন্দ্র চালু করতে চলেছে। এই কেন্দ্রে অনকোলজি, কার্ডিয়াক সায়েন্স, নিউরোলজি, অর্থোপেডিকস এবং অন্যান্য বিভাগের রোগীদের পরামর্শ ও চিকিৎসার পরিকল্পনা করা হবে। জটিল অস্ত্রোপচার বা চিকিৎসার প্রয়োজনে রোগীদের মুম্বাইয়ের বান্দ্রা শাখায় পাঠানো হবে। ফলে কাজাখস্তানের এই কেন্দ্রটি মূলত রেফারেল এবং রোগী সংগ্রহের মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।
ভারতকে বিশ্বজুড়ে মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেলের গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চিকিৎসা নিতে ৫.০৭ লক্ষ বিদেশি নাগরিক ভারতে এসেছিলেন, যা মোট বিদেশি পর্যটকের প্রায় ৫.৫ শতাংশ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী এসেছে বাংলাদেশ থেকে। এরপর ইরাক, উজবেকিস্তান, সোমালিয়া, তুর্কমেনিস্তান এবং ওমানের স্থান। লীলাবতী হাসপাতাল আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ৩,০০০ শয্যা যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে, যার মধ্যে আহমেদাবাদে ৩০০ শয্যার একটি ক্যানসার হাসপাতালও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ভারতের মেডিকেল ট্যুরিজম শিল্পকে খুব বড় করে দেখানো হলেও ২০২৫ সালে ৫.০৭ লক্ষ বিদেশি রোগীর পরিসংখ্যান মূলত প্রতিবেশী এবং সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোর ওপরই নির্ভরশীল। এটি কোনো বিশাল জোয়ার নয় বরং একটি নির্দিষ্ট চাহিদার চিত্র মাত্র। ভারতের গ্লোবাল হাব হয়ে ওঠার দাবির আড়ালে উচ্চ খরচ, প্রশাসনিক জটিলতা এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। আসল পরীক্ষা হলো, কাজাখস্তানের এই কেন্দ্রটি আসলেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগীকে মুম্বাইয়ে পাঠাতে পারে কিনা নাকি এটি কেবল একটি প্রদর্শনী প্রকল্প হয়ে থাকে।
উৎস: freepressjournal.in
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।