
Prime Minister Narendra Modi on Saturday set a target of six crore women becoming ‘Lakhpati Didis’, saying their economic strength could transform the rural economy. Speaking from the Red Fort on Independence…
শনিবার স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ছয় কোটি নারীকে লখপতি দিদি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান যে গ্রামীণ অর্থনীতিতে এই নারীদের আর্থিক সক্ষমতা বড় পরিবর্তন আনতে পারে। মোদী আরও বলেন যে সরকার ইতিমধ্যে তিন কোটি নারীকে লখপতি দিদি করার আগের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। দীনদয়াল অন্ত্যোদয় যোজনা এবং জাতীয় গ্রামীণ জীবিকা মিশনের অধীনে পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর নারীদের বার্ষিক পারিবারিক আয় অন্তত এক লক্ষ টাকায় উন্নীত করার চেষ্টা করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিমান পরিচালনা থেকে শুরু করে অসামরিক বিমান চলাচল, খেলাধুলা, স্টেম শিক্ষা এবং সশস্ত্র বাহিনীতে নারীদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি গুজরাটের আদিবাসী নারীদের সঙ্গে নিজের সাক্ষাতের কথা স্মরণ করেন, যারা বিদেশে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর সানন্দের একটি সেমিকন্ডাক্টর প্ল্যান্টে কাজ করছেন।
সহজ সমীকরণ হলো লক্ষ্যমাত্রা বাড়লেই গ্রামীণ সমৃদ্ধি আসবে, কিন্তু বাস্তবে তা সবসময় ঘটে না। আবার রাজনৈতিক ভাষণে ঘোষণা হয়েছে বলেই যে প্রকল্পটিকে উড়িয়ে দিতে হবে, তাও নয়। আসল পরীক্ষা হলো এই আয় কতটা দীর্ঘস্থায়ী, সঠিকভাবে পরিমাপ করা এবং তা বিভিন্ন রাজ্যের নারীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না। সরকার যেন সাময়িক উপার্জন বা নতুন লেবেলের পারিবারিক আয় না গুনে, রাজ্যভিত্তিক তথ্য প্রকাশ করে যে কতজন নারী টানা কয়েক বছর ধরে বার্ষিক এক লক্ষ টাকার বেশি আয় বজায় রাখতে পেরেছেন।
সূত্র (২): rediff.com, economictimes.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটি এখন দুটি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি।