
India's proposed ban on paraquat dichloride could hit smaller agrochemical firms harder than large diversified players, according to a new analysis by Dr Donthi Narasimha Reddy. The draft Banning of Paraquat Dichloride…
ডক্টর ডনথি নরসিংহা রেড্ডির নতুন একটি বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ভারতে প্যারাকোয়াট ডাইক্লোরাইড নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবিত সিদ্ধান্ত বড় বৈচিত্র্যময় সংস্থার চেয়ে ছোট কৃষি-রাসায়নিক সংস্থাগুলোর ওপর বেশি প্রভাব ফেলবে। ১৩ জুলাই কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত প্যারাকোয়াট ডাইক্লোরাইড নিষিদ্ধকরণ আদেশ ২০২৬-এর খসড়ায় ইনসেক্টিসাইডস আইনের আওতায় এর আমদানি, উৎপাদন ও বিক্রয় নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। ভারতের প্যারাকোয়াট বাজারের আকার আনুমানিক ১,৫০০ কোটি টাকা। ইউপিএল-এর ব্যবসায়িক ঝুঁকি সবথেকে বেশি থাকলেও তাদের ব্যবসার বৈচিত্র্যের কারণে সামগ্রিক প্রভাব সীমিত থাকবে। গ্রামক্সোন ব্র্যান্ডের বিপণনকারী ক্রিস্টাল ক্রপ প্রোটেকশন আনুপাতিকভাবে বড় ঝুঁকির মুখে রয়েছে। যদি চূড়ান্ত আদেশে কোনো রূপান্তরকালীন সময় না থাকে তবে ইনভেন্টরি বা মজুত পণ্যের ঝুঁকি বাড়বে, কারণ কিছু সংস্থা এই নিষেধাজ্ঞা আসার আগেই প্রচুর পণ্য মজুত করে থাকতে পারে।
প্যারাকোয়াট বিতর্ক নিয়ে জনস্বাস্থ্যের ওপর জোর দিতে গিয়ে প্রায়শই ছোট সংস্থাগুলোর বাণিজ্যিক ক্ষতির দিকটি উপেক্ষা করা হয়, যাদের ব্যবসার ক্ষেত্র বিস্তৃত নয়। ইউপিএল-এর মতো বড় সংস্থা এই ক্ষতি সামলে নিতে পারলেও বিশেষায়িত সংস্থা এবং আমদানিকারকরা যারা পুরোপুরি এই আগাছানাশক নিয়ে কাজ করে, তারা বড় সংকটে পড়বে। আসল পরীক্ষা হলো চূড়ান্ত আদেশে বর্তমান মজুত পণ্য বিক্রির কোনো সময়সীমা দেওয়া হয় কিনা, নাকি ছোট সংস্থাগুলো অবিক্রিত পণ্যের বোঝা নিয়ে বিপদে পড়বে। সেই বিষদ তথ্যই নির্ধারণ করবে এই নিষেধাজ্ঞা কতটা কার্যকর এবং ন্যায়সঙ্গত হয়।
উৎস: newindianexpress.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা প্রস্তুত করা হয়েছে।