
Sree Chitra Tirunal Institute for Medical Sciences and Technology has unveiled Chitra Core, its first coronary stent, at a conference in New Delhi. The polymer-coated Everolimus drug-eluting stent uses a Cobalt-Chromium alloy…
নয়াদিল্লির এক সম্মেলনে শ্রী চিত্রা তিরুনাল ইনস্টিটিউট ফর মেডিকেল সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের প্রথম করোনারি স্টেন্ট চিত্রা কোর প্রকাশ্যে এনেছে। এসসিটিআইএমএসটি বিজ্ঞানী এন.এন. সুভাষের মতে, পলিমারযুক্ত এই এভারোলিমাস ড্রাগ-ইলিউটিং স্টেন্টটি কোবাল্ট-ক্রোমিয়াম সংকর ধাতু দিয়ে তৈরি এবং প্রচলিত স্টেন্টের তুলনায় এতে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কম ধাতু ব্যবহৃত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের দাবি, এটি রক্তনালীর ক্ষতি এবং রেস্টেনোসিস বা পরবর্তী পর্যায়ের থ্রম্বোসিসের মতো জটিলতা কমাতে পারে।
এসসিটিআইএমএসটি এই স্টেন্টের নকশা তৈরি করেছে এবং ২০২৪ সালের একটি চুক্তির অধীনে ইনভেসিভ টেকনোলজিস প্রাইভেট লিমিটেডের কাছে প্রযুক্তি হস্তান্তর করেছে। কোম্পানিটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন থেকে উৎপাদনের লাইসেন্স পায়। টাইটানিয়াম নাইট্রাইড কোটিংযুক্ত দ্বিতীয় পণ্য চিত্রা টিআইএন স্টেন্টটির প্রি-ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে। তবে এর নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেতে অনেকটা সময় লাগতে পারে।
সহজ কথায় বলতে গেলে, একটি দেশীয় স্টেন্ট বর্তমানের সব সমস্যার সমাধান করে ফেলেছে এমন দাবি করা অতিরঞ্জিত। চিত্রা কোর উৎপাদনের লাইসেন্স পেয়েছে ঠিকই, কিন্তু এর ধাতুর পরিমাণ কম হওয়ার চেয়ে ক্লিনিক্যাল পারফরম্যান্স বা কার্যকারিতাই বড় কথা। চিত্রা টিআইএন এখনও প্রি-ক্লিনিক্যাল মূল্যায়নের পর্যায়ে রয়েছে এবং এর আন্তর্জাতিক পরীক্ষার পথ দীর্ঘ। চিকিৎসক ও রোগীদের উচিত প্রচার বা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বদলে পরীক্ষার ফলাফল, জটিলতার হার এবং সাশ্রয়ী মূল্যের দিকে নজর দেওয়া। সাধারণ ভারতীয় হাসপাতালে এই স্টেন্ট কতটা ভালো ফলাফল দেয় এখন সেটাই দেখার বিষয়।
সূত্র: thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।