
West Bengal's Special Task Force arrested three men from Cooch Behar district on Friday evening for alleged links to Pakistan's ISI. The accused, Rashidul Haque, Nur Nasiruddin Ali and Shafiqul Islam, were…
পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স কোচবিহারের সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে রাশিদুল হক, নুর নাসিরুদ্দিন আলি এবং শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের অভিযোগ, এই তিনজনের সঙ্গে পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্স বা আইএসআই-এর যোগ রয়েছে এবং তারা বাংলাদেশ হয়ে পাকিস্তানে ভারতীয় সিম কার্ড পাচার করত। এসটিএফের এক আধিকারিক তাদের জাল নোট তৈরির সঙ্গেও জড়িত থাকার অভিযোগ করেছেন।
আদালত এই তিন অভিযুক্তকে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে। জইশ-এ-মহম্মদের সন্দেহভাজন সদস্য হামিম মণ্ডল এবং তার সহযোগীদের পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খন্ড থেকে আটকের পরেই এই গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটল। এর আগে নজরদারি এবং জাল ভারতীয় নথি সংক্রান্ত একটি মামলায় বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে পাকিস্তানি নাগরিক রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
আইএসআই নেটওয়ার্কের দাবিগুলো সহজেই সংবাদমাধ্যমের আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে, আবার স্থানীয় অপরাধের ঘটনাকেও অনেক সময় গাফিলতিপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই পর্যায়ে অভিযোগগুলো এখনও প্রমাণিত নয় এবং আদালতে পুলিশের দাবিগুলো যাচাই করা প্রয়োজন। তদন্তকারীদের উচিত সিম কার্ডের উৎস, জাল নোটের যোগসূত্র এবং আন্তঃসীমান্ত যোগাযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া মেনে চলা। এসটিএফ উদ্ধার করা বস্তু, ফরেনসিক প্রমাণ এবং আর্থিক লেনদেনের নথি প্রমাণ করতে পারে কি না, সেটাই আসল পরীক্ষা।
সূত্র: hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।