
NHS Blood and Transplant has launched a 'One in a Million' campaign to add one million adults to the Organ Donor Register, after family consent rates dropped from 69 percent in 2020/21…
এনএইচএস ব্লাড অ্যান্ড ট্রান্সপ্ল্যান্ট ‘ওয়ান ইন আ মিলিয়ন’ নামে একটি প্রচারণার সূচনা করেছে যার লক্ষ্য অঙ্গ দাতা হিসেবে দশ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকে নিবন্ধিত করা। ২০২০/২১ সালে পরিবারের সম্মতির হার ৬৯ শতাংশ থাকলেও ২০২৫/২৬ সালে তা কমে ৫৭ শতাংশে নেমেছে। যুক্তরাজ্যে বর্তমানে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় থাকা রোগীর সংখ্যা রেকর্ড ৮,২৯৬ জন, যার মধ্যে ২৪১ জন শিশু।
এই প্রচারণায় পন্টিপ্রিডের ১৮ বছর বয়সী মেন্না ওয়েনের গল্প তুলে ধরা হয়েছে, যে খিঁচুনির কারণে হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে মারা গিয়েছিল। তার মা বেথ ওয়েন জানতেন মেন্না তার সব অঙ্গ দান করতে চেয়েছিল। মেন্নার হৃদপিণ্ড ও ফুসফুস দুইজন তরুণ রোগীর দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে এবং এক বছর পরেও তারা সুস্থ আছে। যখন কোনো দাতার সিদ্ধান্ত নথিভুক্ত থাকে তখন পরিবার প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে সমর্থনের হার বজায় রাখে কিন্তু সিদ্ধান্ত জানা না থাকলে তা ৫০ শতাংশের নিচে নেমে আসে। গত বছর যুক্তরাজ্যজুড়ে প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় থাকা ৪৩৪ জন মানুষ মারা গেছেন যার মধ্যে ওয়েলসের ১৬ জন রয়েছে।
অঙ্গ দানের হার কমে যাওয়ার পেছনে প্রায়ই স্বার্থপরতাকে দায়ী করা হয় কিন্তু আসল কারণ হলো আলোচনার অভাব। পরিবারের সদস্যদের ইচ্ছা অজানা থাকলে সম্মতির হার ৫০ শতাংশের নিচে নামে অথচ আগেভাগে আলোচনা করলে তা ৯০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ে। ‘ওয়ান ইন আ মিলিয়ন’ প্রচারণাটি বেশ কার্যকর কারণ এটি শুধুমাত্র লজ্জা দেওয়ার বদলে নিবন্ধনের ওপর জোর দিচ্ছে। এখন দেখার বিষয় ২০২৭ সালের মধ্যে যুক্তরাজ্য কি ৩ কোটি নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁতে পারবে। নাকি পরিবারগুলো প্রিয়জনের শেষ উপহারের বদলে নীরবতাকেই বেছে নেবে?
সূত্র: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে উল্লেখিত উৎস থেকে তৈরি করা হয়েছে।