
The U.S. government paid $400,000 to buy out a private petrol station, tourist lodge, and quarry near Capitol Reef National Park in Utah, ending a long-running land conflict. The dispute began in…
উটাহ-র ক্যাপিটল রিফ জাতীয় উদ্যানের কাছে একটি ব্যক্তিগত পেট্রল স্টেশন, পর্যটক লজ এবং খাদ কিনে নিতে মার্কিন সরকার ৪ লক্ষ ডলার প্রদান করেছে। এর মাধ্যমেই দীর্ঘদিনের একটি ভূমি বিবাদের নিষ্পত্তি হলো। ১৯৬৪ সালে ব্যবসায়ী ডিন ব্রিমহাল জাতীয় স্মৃতিসৌধ দ্বারা পরিবেষ্টিত ব্যক্তিগত জমিতে যখন একটি সার্ভিস স্টেশন তৈরি করেন, তখনই এই বিবাদের সূত্রপাত হয়। কেন্দ্রীয় কর্মকর্তাদের অভিযোগ ছিল যে, ওই খাদ এবং ভবনগুলো প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি করছে।

বহু বছরের আলোচনার পর মার্কিন স্বরাষ্ট্র দপ্তর ওই সম্পত্তি অধিগ্রহণ করে, ভবনগুলো ভেঙে ফেলে এবং খাদটি বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে জমিটি পুনরুদ্ধার করে সেখানে মরুভূমির গাছপালা লাগানো হয়েছে। ১৯৭১ সালে কংগ্রেস এলাকাটিকে জাতীয় উদ্যানের মর্যাদা দেওয়ার আগেই এই অধিগ্রহণের ফলে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্রেমন্ট রিভার করিডোরে অবস্থিত শেষ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর একটির বিরোধ মিটেছে এই নিষ্পত্তির মাধ্যমে।

অনেকেই একে লোভী ডেভেলপারদের বিরুদ্ধে পরিবেশের জয় হিসেবে দেখছেন। কিন্তু ব্রিমহালের এই পেট্রল স্টেশনটি নির্মিত হয়েছিল ১৯৩৭ সালে তৈরি হওয়া একটি স্মৃতিসৌধের ভেতর ব্যক্তিগত জমিতে, যা মরমন বসতি স্থাপনকারীদের কয়েক দশক পর গড়ে উঠেছিল। প্রকৃত গল্পটি হলো অধিকারের লড়াই নিয়ে অর্থাৎ একজন ব্যক্তির সম্পত্তির অধিকার বনাম ক্রমবর্ধমান কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ নীতি। মূল প্রশ্নটি হলো ৪ লক্ষ ডলারের এই ক্ষতিপূরণ অর্থাৎ আজকের মুদ্রামান অনুযায়ী প্রায় ৪০ লক্ষ ডলার, একটি ব্যবসা বন্ধ করার জন্য কতটা ন্যায্য ছিল। আগামী দিনে উদ্যানের সীমানা সংলগ্ন অন্যান্য জমির মালিকদের সাথে হওয়া বিবাদগুলো আলোচনার মাধ্যমে নাকি আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে মিটবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।
সূত্র (২): timesofindia.indiatimes.com, timesofindia.indiatimes.com (২)
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি উৎস থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটি এখন দুটি উৎসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।