
The Uttar Pradesh Assembly passed a Rs 59,019.54-crore supplementary budget on Wednesday amid protests by Samajwadi Party and Congress members, then adjourned sine die a day early. The scheduled August 6 sitting…
বুধবার সমাজবাদী পার্টি ও কংগ্রেস সদস্যদের তীব্র প্রতিবাদের মুখে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় ৫৯,০১৯.৫৪ কোটি টাকার অনুপূরক বাজেট পাশ হয়। এর পর অধিবেশন একদিন আগেই অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি ঘোষণা করা হয় এবং ৬ আগস্টের নির্ধারিত অধিবেশন বাতিল করা হয়। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের অনুদান চুরির অভিযোগ নিয়ে বিরোধীরা ৩১১ নম্বর বিধির অধীনে আলোচনার দাবি জানিয়েছিলেন। বাজেট পাশ হওয়ার আগে তিনবার বিধানসভার অধিবেশন মুলতবি করতে হয়।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সমাজবাদী পার্টির বিরুদ্ধে জনকল্যাণমূলক কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। এই বাজেটের প্রায় ৭৭ শতাংশ বা ৪৫,৫৬৮.৬৩ কোটি টাকা পরিকাঠামো, শিল্প, জ্বালানি, কৃষি ও উন্নয়নের মতো অর্থনৈতিক পরিষেবা খাতে বরাদ্দ করা হয়েছে। আদিত্যনাথ জানিয়েছেন যে পেনশন, কর্মীদের সাম্মানিক, কর্মসংস্থান প্রকল্প এবং আউটসোর্স কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষার জন্যও অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। অন্যদিকে বিরোধীদের দাবি তাদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা চলছে।

সরকারের প্রতিটি প্রতিবাদকে দরিদ্রবিরোধী তকমা দেওয়া যেমন অযৌক্তিক, তেমনি অধিবেশন একদিন আগে শেষ হওয়াকেই গণতন্ত্রের ব্যর্থতা বলাও অতিসরলীকরণ। উভয় দাবিরই পর্যালোচনা প্রয়োজন। বাজেটের আকার এবং ৪৫,৫৬৮.৬৩ কোটি টাকার অর্থনৈতিক পরিষেবা খাতের বরাদ্দ একটি বাস্তব তথ্য হলেও পেনশন ও সাম্মানিকের প্রতিশ্রুতি তখনই সফল হয় যখন সুবিধাভোগীরা তা পান। আসল পরীক্ষা হলো সরকার ২০২৭ সালের নির্বাচনের আগে প্রতিটি প্রকল্পের খরচের হিসাব ও ফলাফল প্রকাশ করে কি না, না কি শুধুমাত্র স্লোগান তুলেই দিন পার করে দেয়।
সূত্র (২): hindustantimes.com, hindustantimes.com (২)
এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে দুটি ভিন্ন সূত্র থেকে তৈরি করা হয়েছে।
আপডেট: প্রতিবেদনটি এখন দুটি সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে।