
A new Pew Research Centre survey across 36 nations shows 45 per cent of respondents globally hold a favourable view of India, while 41 per cent express mixed opinions. Sri Lanka leads…
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শনিবার লালকেল্লা থেকে দেশজুড়ে এক আধুনিক সিভিল ডিফেন্স ভলান্টিয়ার নেটওয়ার্ক গড়ার ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, স্বেচ্ছাসেবকদের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা দেশের ভেতর এবং সীমান্তের ওপার থেকে আসা নিরাপত্তা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ ও সংকট মোকাবিলা করতে পারেন। সিভিল ডিফেন্সের মূল উদ্দেশ্য হলো যেকোনো হামলা বা জরুরি পরিস্থিতিতে সাধারণ নাগরিক, সম্পদ এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১.৭৮ লক্ষ কোটি টাকা, যা ২০১৪ সালের ৪৬,০০০ কোটি টাকার তুলনায় অনেক বেশি। একই সময়ে প্রতিরক্ষা রপ্তানি বেড়ে হয়েছে ৩৮,৪২৪ কোটি টাকা। মোদী বলেন, ভারতকে কেবল বিদেশি প্রতিরক্ষা কোম্পানির বাজার হিসেবে রাখলে চলবে না, বরং ভারতকে বিশ্বস্ত বৈশ্বিক সরবরাহকারী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং হাইপারসনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে নেতৃত্ব দিতে হবে।
সিভিল ডিফেন্স স্বেচ্ছাসেবকদের বড় নেটওয়ার্ক গড়ার বিষয়টি শক্তিশালী প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয়, কিন্তু একে কেবল জাতীয়তাবাদী স্লোগান বা প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার সাফল্য হিসেবে দেখাটা তাড়াহুড়ো হবে। প্রশিক্ষণ, স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয়, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সরবরাহ এবং জবাবদিহিই হবে এই উদ্যোগের আসল পরীক্ষা। প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও রপ্তানির পরিসংখ্যান বেড়েছে ঠিকই, তবে এই নেটওয়ার্কের প্রকৃত সাফল্য তখনই বোঝা যাবে যখন সরকার জানাবে যে কতজন স্বেচ্ছাসেবক প্রশিক্ষিত হলেন এবং জরুরি অবস্থার মহড়ায় তাদের দক্ষতা কেমন ছিল।
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।