
The Bombay High Court on Friday granted interim protection from arrest to Kamakhya Prasad Das, a former Tata Institute of Social Sciences (TISS) student accused of raising inflammatory slogans at an unauthorised…
ক্যাম্পাসে অননুমোদিত অনুষ্ঠানে স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত টাটা ইনস্টিটিউট অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস বা টিস-এর প্রাক্তন শিক্ষার্থী কামাক্ষ্যা প্রসাদ দাসকে শুক্রবার গ্রেপ্তারি থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা দিয়েছেন বোম্বে হাইকোর্ট। বিচারপতি প্রফুল্ল খুবলকর জানিয়েছেন যে দাসের ফোন এবং ল্যাপটপ আগেই বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন নেই। তাকে তদন্তে সহযোগিতা করার এবং তলব করা মাত্রই হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি ৩১ আগস্ট।
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে দায়ের করা একটি এফআইআর থেকে। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক জি এন সাইবাবার স্মরণে নয়জন শিক্ষার্থী একত্রিত হয়ে উমর খালিদ এবং শারজিল ইমামের সমর্থনে স্লোগান তুলেছিলেন বলে অভিযোগ। এর আগে দায়রা আদালত দাসের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল। অভিরূপ পাল নামে অপর এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। দাসের আইনজীবীদের যুক্তি ছিল যে একটি স্মরণসভায় অংশ নেওয়া অপরাধের পর্যায়ে পড়ে না।
রাষ্ট্রপক্ষের দেশদ্রোহী ষড়যন্ত্রের দাবি এবং অভিযুক্ত পক্ষের একে কেবল তরুণ প্রজন্মের আবেগপ্রসূত আচরণ বলে বর্ণনা করার প্রবণতা উভয়ই এই জটিল মামলাটিকে লঘু করে দেখাতে পারে। আদালত সুরক্ষা প্রদানের পাশাপাশি তদন্তে সহযোগিতার যে শর্ত দিয়েছে তা প্রশংসনীয় এবং এই ধরনের অভিযোগে সাধারণত যে আতঙ্ক তৈরি হয় তা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। দাসের ডিভাইসগুলির ফরেনসিক পরীক্ষা এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। যদি তথ্যপ্রমাণে শুধুমাত্র স্লোগান দেওয়ার বিষয়টিই উঠে আসে তবে ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব ধোপে টিকবে না। ৩১ আগস্টের শুনানিই স্পষ্ট করবে রাষ্ট্রপক্ষের কাছে এই মামলায় কোনো জোরালো যুক্তি আছে নাকি তারা কেবল শিরোনামে থাকার চেষ্টা করছে।
সূত্র (২): nationalheraldindia.com, freepressjournal.in
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লেখিত দুটি সূত্র ব্যবহার করে এআই-এর মাধ্যমে সংকলিত হয়েছে।