
AIIMS Rishikesh failed to recover Rs 1.78 crore from a parking and traffic management contractor and paid Rs 60.21 lakh in nursing and dress allowances that the CAG found inadmissible, The Times…
টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এইমস ঋষিকেশ পার্কিং ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঠিকাদারের কাছ থেকে ১.৭৮ কোটি টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়েছে এবং সিএজির মতে নিয়মবহির্ভূতভাবে ৬০.২১ লক্ষ টাকা নার্সিং ও পোশাক ভাতা প্রদান করেছে। ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে ঠিকাদারকে তিন বছরের জন্য মাসিক ৯.০১৫ লক্ষ টাকা ও করের বিনিময়ে চুক্তি দেওয়া হয়েছিল। শুরু থেকেই তারা অর্থ প্রদানে ব্যর্থ হয়, প্রায় আড়াই বছর আংশিক পেমেন্ট করার পর ২০২২ সালের অক্টোবরে তারা হাসপাতাল ছেড়ে চলে যায়। এইমস পরবর্তীতে আইনি পদক্ষেপ নেয় এবং ১৮ লক্ষ টাকার সিকিউরিটি ডিপোজিট বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করলেও ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত তা সম্পন্ন হয়নি।
২০১৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মাসের মধ্যে কলেজ অফ নার্সিংয়ের অনুষদ সদস্যদের এই ভাতা দেওয়া হয়েছিল। অডিট রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই অনুষদ সদস্যরা ইতিমধ্যে একাডেমিক ও রিসোর্স লার্নিং ভাতা পাচ্ছেন এবং তারা কোনো রোগীর সেবা বা ইউনিফর্ম পরার কাজ করেন না। মন্ত্রণালয় ঋষিকেশ সহ ১০টি এইমস প্রতিষ্ঠানকে এই ভাতা প্রদান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল এবং তারা তা মেনে নিয়েছে বলে জানিয়েছে।
সহজ ধারণা হলো যে প্রতিটি অডিট রিপোর্টই দুর্নীতির প্রমাণ দেয়, আবার বিপরীত দাবিটি হলো এগুলো নিরীহ হিসাবরক্ষণের ভুল। কোনোটিই বাস্তবের সাথে মেলে না। মনে হচ্ছে একজন ঠিকাদারকে বছরের পর বছর ধরে খেলাপি হতে দেওয়া হয়েছে এবং অনুষদ সদস্যদের দায়িত্ব জানা সত্ত্বেও নিয়ম ভেঙে ভাতা দেওয়া হয়েছে। এখানে আসল পরীক্ষা হলো অর্থ পুনরুদ্ধার করা, শুধু আশ্বাস নয়। এইমস সত্যিই ১.৭৮ কোটি টাকা আদায় করতে পারে কি না এবং ১৮ লক্ষ টাকার আমানত বাজেয়াপ্ত করতে পারে কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
উৎস: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।