
A letter written by Mahatma Gandhi from Yerawada jail on September 13, 1932, announced a fast unto death to oppose a separate electorate for Dalits proposed under the Communal Award. Gandhi wrote…
১৯৩২ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ইয়েরওয়াদা জেল থেকে মহাত্মা গান্ধীর লেখা একটি চিঠিতে সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা বা কমিউনাল অ্যাওয়ার্ডের অধীনে দলিতদের জন্য প্রস্তাবিত পৃথক নির্বাচকমণ্ডলীর বিরোধিতায় আমরণ অনশনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী রামসে ম্যাকডোনাল্ডের কাছে লেখা চিঠিতে গান্ধী জানিয়েছিলেন যে এই সিদ্ধান্ত হিন্দু সমাজকে বিভক্ত করবে এবং তিনি নিজের জীবনের বিনিময়ে এর বিরোধিতা করবেন। অন্যদিকে বিআর আম্বেদকর দলিতদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পৃথক নির্বাচকমণ্ডলীকে সমর্থন জানিয়েছিলেন।

গান্ধীর সপ্তাহব্যাপী অনশনের ফলে আম্বেদকর ও মদন মোহন মালব্যের মধ্যে পুনা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির ফলে পৃথক নির্বাচকমণ্ডলীর দাবি পরিত্যক্ত হলেও সাধারণ নির্বাচকমণ্ডলীর মধ্যেই দলিতদের জন্য আসন সংরক্ষিত হয় যা দলিত প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হয়ে ওঠে। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, গান্ধী ১৯১৯ সালে রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ স্থগিত করতে এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আইন তুলে ধরতে চিঠির সাহায্য নিয়েছিলেন।
পৃথক নির্বাচকমণ্ডলী নিয়ে গান্ধী ও আম্বেদকরের সংঘাতকে প্রায়ই নায়ক ও খলনায়কের গল্পের ছাঁচে দেখা হয়। কিন্তু গান্ধী নিজেও স্বীকার করেছিলেন যে তিনি ভুল হতে পারেন এবং তার সম্ভাব্য মৃত্যুকে তিনি ভুলের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। রাজনৈতিক সুরক্ষাকবচের দাবিতে আম্বেদকরের অনড় অবস্থানও ছিল নীতিগত। পুনা চুক্তি একটি আপস হলেও তা ভারতের সংরক্ষণ ব্যবস্থার ভিত গড়ে দেয়। আসল প্রশ্নটি হলো এই ব্যবস্থা আম্বেদকরের লক্ষ্য অনুযায়ী মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কতটা সফল হয়েছে নাকি তা কেবল জাতিগত পরিচিতিকে টিকিয়ে রেখেছে। এই প্রশ্নটির সমাধান দুই নেতার কেউই পুরোপুরি করে যেতে পারেননি।
উৎস: timesofindia.indiatimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের ভিত্তিতে এআই দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।