
In a first for a tea plantation company, Harrisons Malayalam Limited (HML) used drone seeding to restore 15 acres of land previously covered by eucalyptus at Pattumallay Estate near Peerumade in Idukki.…
দেশের প্রথম চা বাগান সংস্থা হিসেবে হ্যারিসনস মালায়ালম লিমিটেড (এইচএমএল) ইদুক্কির পিরুমেডের কাছে পাত্তুমাললে এস্টেটে ড্রোনের মাধ্যমে বীজ ছড়িয়ে ১৫ একর জমি পুনরুদ্ধারের কাজ শুরু করেছে। দ্য হিন্দু পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী কেরালা ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট (কেএফআরআই) থেকে সংগ্রহ করা ২৪টি স্থানীয় প্রজাতির ১,১২,১৭৮টি বীজ এই কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। এইচএমএল ভাইস প্রেসিডেন্ট অনিল জর্জ জানিয়েছেন যে এই পদ্ধতিতে কম খরচে ও মাটির ক্ষতি না করে সমানভাবে বীজ ছড়ানো সম্ভব হয়েছে। কোম্পানিটির প্রত্যাশা পাঁচ বছর পর প্রতি হেক্টরে ৫,০০০টি করে গাছ জন্মাবে এবং তারা এই মডেলটি অন্য জায়গায় প্রয়োগের পরিকল্পনাও করছে।
ক্ষয়প্রাপ্ত জমির বনসৃজনে ড্রোন প্রযুক্তিকে একটি সাশ্রয়ী উপায় হিসেবে দেখা হচ্ছে তবে পাঁচ বছর পর গাছের বেঁচে থাকার হারই হবে আসল পরীক্ষা। কর্পোরেট পরিবেশ প্রকল্পগুলি প্রায়শই গ্রিনওয়াশিংয়ের অভিযোগে পড়ে কিন্তু কেএফআরআই থেকে সংগ্রহ করা স্থানীয় বীজ এবং জীববৈচিত্র্য মূল্যায়নের ভিত্তিতে করা এই প্রকল্পটি বেশ আশাব্যঞ্জক। এখন দেখার বিষয় হলো মানুষ ছাড়াই এই পুনরুদ্ধার করা বনাঞ্চল ২৪টি প্রজাতিকে টিকিয়ে রাখতে পারে কি না।
সূত্র: thehindu.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে দেওয়া উৎসের তথ্যের ভিত্তিতে এআই দ্বারা সংকলিত হয়েছে।