
A 6.8-magnitude earthquake struck northern Sumatra on Saturday at a depth of 158 km, the German Research Centre for Geosciences said, hours after a 7.7-magnitude quake hit eastern Indonesia. Reports differ on…
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের কয়েক ঘণ্টা পরই শনিবার ১৫৮ কিলোমিটার গভীরে সুমাত্রার উত্তরাঞ্চলে ৬.৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস। আগের ভূমিকম্পের নিহতের সংখ্যা নিয়ে তথ্যে ভিন্নতা রয়েছে। আসাম ট্রিবিউনের তথ্যমতে অন্তত ২০ জন মারা গেছেন, টাইমস অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে ৩৮ জনের কথা এবং হিন্দুস্তান টাইমস ৪৭ জনের মৃত্যুর কথা উল্লেখ করেছে। ফ্লোরেস অঞ্চলের এই ভূমিকম্পে ভূমিধস হয়েছে, ভবন ধসে পড়েছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটেছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। তবে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতায় বড় কোনো পরিবর্তন না ঘটায় পূর্বাঞ্চলীয় ইন্দোনেশিয়ার একাংশের জন্য জারি করা সুনামি সতর্কতা পরে প্রত্যাহার করা হয়।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন এবং প্রায় ২,০০০ মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে সরে গেছেন। নাগেকেওতে রাস্তা বন্ধ থাকায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দুইজন গ্রামবাসী কাদামাটির নিচে চাপা পড়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। হিন্দুস্তান টাইমসের তথ্যমতে সুমাত্রার সর্বশেষ কম্পনের জন্য কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।

নিহতদের সংখ্যার এই বড় পার্থক্য প্রমাণ করে যে দুর্যোগের প্রাথমিক তথ্য অত্যন্ত সতর্কতার সাথে দেখা উচিত। সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিও ক্ষয়ক্ষতির ধারণা দিতে পারলেও তা মাঠপর্যায়ের যাচাইয়ের বিকল্প হতে পারে না, বিশেষ করে যখন ভূমিধসের কারণে উদ্ধারকারীরা পৌঁছাতে পারেন না এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। দ্বিতীয় কম্পনে ব্যাপক প্রাণহানির দাবিগুলো এই প্রতিবেদনগুলোতে নিশ্চিত করা হয়নি। কর্তৃপক্ষের উচিত নিয়মিতভাবে হালনাগাদ করা তালিকা প্রকাশ করা, যেখানে মৃত, আহত এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য আলাদাভাবে উল্লেখ থাকবে। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার পরবর্তী নির্ভরযোগ্য সংখ্যাটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কোনো চটকদার শিরোনাম নয়।
সূত্র (৩): timesofindia.indiatimes.com, assamtribune.com, hindustantimes.com
এই প্রতিবেদনটি উপরে উল্লিখিত ৩টি সূত্র থেকে এআই ব্যবহার করে সংকলিত হয়েছে।
আপডেট: এই প্রতিবেদনটি এখন ৩টি সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি।